২০২৪-২৫ অর্থবছর নির্ভরতা কমানোর ডাক দিয়ে ভারত থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
ঢাকার ৩ জায়গায় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অবরোধ, তীব্র যানজট
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
২০২৪-২৫ অর্থবছর নির্ভরতা কমানোর ডাক দিয়ে ভারত থেকে আমদানি প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
ঢাকার ৩ জায়গায় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অবরোধ, তীব্র যানজট
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬

ক্রিকেট ইতিহাসে ৫টি স্মরণীয় ‘না’ যে সব বিশ্বকাপে আয়োজক দেশে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দল

বর্তমানে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং আইসিসির মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। নিরাপত্তা অজুহাতে ভারত সফরে অনীহা প্রকাশ করেছে বিসিবি। তবে ক্রিকেটের আঙিনায় এটি নতুন কিছু নয়।

বর্তমানে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং আইসিসির মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। নিরাপত্তা অজুহাতে ভারত সফরে অনীহা প্রকাশ করেছে বিসিবি। তবে ক্রিকেটের আঙিনায় এটি নতুন কিছু নয়। এর আগেও অনেক পরাশক্তি দেশ নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বা রাজনৈতিক আদর্শের কারণে নির্দিষ্ট দেশে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। এক নজরে দেখে নেয়া যাক এমন ৫টি ঘটনা:

১. ১৯৯৬ বিশ্বকাপ: শ্রীলঙ্কায় খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ

১৯৯৬ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কায় গৃহযুদ্ধ চরম রূপ নেয়। টুর্নামেন্ট শুরুর দুই সপ্তাহ আগে কলম্বোয় বোমা বিস্ফোরণ হলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সংহতি প্রকাশ করে ভারত ও পাকিস্তান একটি যৌথ দল পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কায় প্রদর্শনী ম্যাচ খেললেও অজি ও ক্যারিবীয়রা সেখানে যেতে রাজি হয়নি। ফলে শ্রীলঙ্কাকে ওয়াকওভার (বিনা লড়াইয়ে পয়েন্ট) দেয়া হয়। মজার বিষয় হলো, সেই আসরে শ্রীলঙ্কাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

২. ২০০৩ বিশ্বকাপ: জিম্বাবুয়েতে ইংল্যান্ড ও কেনিয়ায় নিউজিল্যান্ডের বয়কট

এই বিশ্বকাপে দুটি বড় দেশ ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি জানায়। ইংল্যান্ডের টনি ব্লেয়ার সরকার রবার্ট মুগাবে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে খেলতে যায়নি। অন্যদিকে, মোম্বাসায় বোমা হামলার জেরে কেনিয়া সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায় নিউজিল্যান্ড। আইসিসি ভেন্যু সরাতে রাজি না হওয়ায় জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়াকে পয়েন্ট ছেড়ে দিতে হয় বড় দুই দলকে।

৩. ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: জিম্বাবুয়ের সরে দাঁড়ানো

রাজনৈতিক তিক্ততার জেরে সেবার জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড়দের ব্রিটিশ ভিসা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। টুর্নামেন্টের স্বার্থে এবং ইংল্যান্ডের আয়োজক হওয়ার পথে বাধা না হতে জিম্বাবুয়ে নিজেরাই টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়। তাদের বদলে আইসিসি তখন স্কটল্যান্ডকে খেলার সুযোগ দেয়।

আরো পড়ুন: ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে অনড় বাংলাদেশ

৪. ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: বাংলাদেশে আসেনি অস্ট্রেলিয়া

২০১৫ সালে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ সফর স্থগিত করেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই একই আশঙ্কায় তারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেও নাম সরিয়ে নেয়। আইসিসি এই সিদ্ধান্তে হতাশ হলেও অস্ট্রেলিয়ার বদলে আয়ারল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে।

৫. ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: পাকিস্তানে ভারতের ‘না’

দীর্ঘ ২৯ বছর পর পাকিস্তানে আইসিসি টুর্নামেন্ট ফেরার কথা ছিল। কিন্তু ভারত সরকার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তানে দল পাঠাতে রাজি হয়নি। দীর্ঘ নাটকের পর ‘হাইব্রিড মডেল’ চূড়ান্ত হয়, যেখানে ভারতের ম্যাচগুলো দুবাইতে অনুষ্ঠিত হয়। ভারত সেই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেও ক্রিকেট বিশ্বে এই ঘটনাটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *