
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে চার জেলে নিখোঁজ
জানুয়ারি ১২, ২০২৬
ফেনীতে দুই শতাধিক শীতার্তের মাঝে বিজিবির কম্বল বিতরণ
জানুয়ারি ১২, ২০২৬মানব পাচার মামলার পলাতক আসামি মো: আনোয়ার হোসেনকে (৫৬) কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০। গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) আনুমানিক বিকাল ৪টায় আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন চুনকুটিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মানব পাচার মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি আনোয়ার হোসেনকে (৫৬) গ্রেফতার করে। তার পিতা আলী আকবর শেখ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বাসিন্দা। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভিকটিমকে আর্থিক সচ্ছলতার প্রলোভন দেখিয়ে আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য আসামিরা গত ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা ৪৯ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ভিকটিমকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যায়। মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর আসামি আনোয়ার ভিকটিমকে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয়। ভিকটিম উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হলে আসামি আনোয়ার তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জানায় যে, বাংলাদেশে অবস্থানরত শাহিনের কাছ থেকে তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কেনা হয়েছে। পরবর্তীতে ভিকটিম কৌশলে আসামিদের কবল থেকে পালিয়ে গিয়ে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে দেশে ফিরে আসে।
এরপর আসামি আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য আসামিরা আবারো গত ২০২৩ সালের ২৮ এপ্রিল ভিকটিমকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে ভিকটিম জানতে পারে যে, আসামি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বাধীন একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন নারীদের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচার করে থাকে। চক্রটি মালয়েশিয়ার কাজাং এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন বয়সী নারীদের পাচার করে এবং তাদের দেহব্যবসাসহ নানা ধরনের অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে বাধ্য করে।
এ ঘটনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ভিকটিম ডিএমপি, ঢাকার বিমানবন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে বিমানবন্দর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী মামলা রুজু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রেফতার হন আনোয়ার হোসেন।


