গ্যাস সংকটে নগরে ফিরছে লাকড়ির চুলা: কোথায় পাবেন, কেমন খরচ আর কতটুকু ঝুঁকি
জানুয়ারি ১২, ২০২৬
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে চার জেলে নিখোঁজ
জানুয়ারি ১২, ২০২৬তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা প্রথমবারের মতো একটি সরকারি স্বীকৃত ডিজিটাল পরিচয়পত্র (ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড) পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক অর্জিত হলো। দেশের প্রথম জাতীয় ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড কার্যক্রমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম freelancers.gov.bd-এর VAPT (Vulnerability Assessment & Penetration Testing) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হবে।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা প্রথমবারের মতো একটি সরকারি স্বীকৃত ডিজিটাল পরিচয়পত্র (ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড) পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
এ আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা, সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সহজে লাভ করতে পারবেন। একইসঙ্গে এটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত মর্যাদা আরো সুদৃঢ় করবে।
freelancers.gov.bd প্ল্যাটফর্মটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডাটাবেইস হিসেবেও কাজ করবে, যেখানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা, দক্ষতা, কাজের ধরন ও বাজার প্রবণতা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত ও হালনাগাদ থাকবে। এই তথ্য নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্যোগটির মাধ্যমে ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সারদের সংযোগ আরো শক্তিশালী হবে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তরুণ সমাজের আত্মকর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এটি একটি কৌশলগত জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


