বরিশাল বিভাগে আমনের উচ্চ ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কা কাটছে না কৃষকের
জানুয়ারি ১১, ২০২৬
এআই ও প্রতিরক্ষা খাতে চাহিদা বৃদ্ধি ২০৪০ সালের মধ্যে তামার বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়বে ৫০%
জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বরিশাল বিভাগে আমনের উচ্চ ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কা কাটছে না কৃষকের
জানুয়ারি ১১, ২০২৬
এআই ও প্রতিরক্ষা খাতে চাহিদা বৃদ্ধি ২০৪০ সালের মধ্যে তামার বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়বে ৫০%
জানুয়ারি ১১, ২০২৬

ভিয়েতনামে কফি বিক্রি কমিয়েছেন ব্যবসায়ীরা

ভবিষ্যৎ মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাশায় গত সপ্তাহে কফি বিক্রি কমিয়েছেন ভিয়েতনামের কৃষকরা।

ভবিষ্যৎ মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাশায় গত সপ্তাহে কফি বিক্রি কমিয়েছেন ভিয়েতনামের কৃষকরা। যদিও ছুটির পর রফতানিকারকরা চুক্তিভিত্তিক ডেলিভারি পূরণে ফের সক্রিয় হওয়ায় চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। একই সময় ইন্দোনেশিয়ায় রোবাস্তা কফির প্রিমিয়াম (সংযোজিত মূল্য) উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ভিয়েতনামের প্রধান কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে কৃষকরা প্রতি কেজি কফি ৯৭ হাজার ৫০০ (৩ ডলার ৭১ সেন্ট) থেকে ৯৮ হাজার ২০০ ডং (৩ ডলার ৭৪ সেন্ট) দরে বিক্রি করেছেন। এছাড়া বুধবারের লেনদেন শেষে মার্চে সরবরাহের চুক্তিতে ফিউচার মার্কেটে রোবাস্তা কফির দাম ৬৮ ডলার কমে টনপ্রতি ৩ হাজার ৯৩৯ ডলারে স্থির হয়েছে।

কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলের এক ব্যবসায়ী জানান, ছুটির পর রফতানিকারকরা পুনরায় কার্যক্রম শুরু করায় চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হলেও কফির সরবরাহ কমে এসেছে। তিনি জানান, কৃষকদের তাৎক্ষণিক বিক্রির চাপ নেই। কারণ কফির পাশাপাশি তারা ডুরিয়ান উৎপাদন থেকেও আয় করছেন। তারা মজুদ রেখে উচ্চদরের প্রত্যাশা করছেন। এ কারণে বাজারে সরবরাহ আরো কমেছে।

এ অঞ্চলের আরেক ব্যবসায়ী জানান, চলতি মৌসুমে ভিয়েতনামে কফি উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৫-১০ শতাংশ বেশি হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি কফি গাছ বাড়ার জন্য অনুকূল রয়েছে।

ভিয়েতনামের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটির কফি রফতানি ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১৫ লাখ ৮০ হাজার টনে পৌঁছেছে। একই সময় কফি রফতানি থেকে আয় ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া শুধু ডিসেম্বরে কফি রফতানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার টনে উন্নীত হয়।

অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার বাজারে রোবাস্তা কফি বেচাকেনায় প্রিমিয়াম বেড়েছে। দেশটির সুমাত্রা অঞ্চলের রোবাস্তা কফি ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তির তুলনায় টনপ্রতি ২১৫ ডলার প্রিমিয়ামে অফার করা হচ্ছে, গত দুই সপ্তাহ আগেও যা ছিল টনে ১২০ ডলার।

আরেক ব্যবসায়ী জানান, মার্চে সরবরাহের চুক্তিতে গত সপ্তাহে প্রতি টন কফির দাম ছিল ২০০ ডলার, ছুটির আগে যা ছিল ৩০০ ডলার।

এদিকে ইন্দোনেশিয়ার ওয়েস্ট লামপুং অঞ্চলের কফি চাষীরা জানান, সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে কফি চেরি (কফি গাছের ফল। আর এর বীজকে বলা হয় কফি বিন) গাছ থেকে ঝরে পড়তে পারে। এতে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হলে ভবিষ্যতে সরবরাহ আরো চাপের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *