
শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলা ‘যুদ্ধাপরাধের শামিল’, বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘ প্রধানের সমবেদনা
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
নির্বাচন সামনে রেখে সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তা প্রটোকল দেবে পুলিশ
ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সহিংসতা ও নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে গতকাল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সহিংসতা ও নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে গতকাল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘যারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়, তারা ব্যর্থ হবে।’
গতকাল বিকালে রাজধানীর আগারগাঁও ইসি ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিজিবির মহাপরিচালক, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ইসি সানাউল্লাহ জানান, হামলাটি ছিল পরিকল্পিত ও চোরাগোপ্তা এবং হামলাকারী আগে থেকেই হাদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেছিল। সামনে এ ধরনের হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে দেশের ৩০০ আসনে ৩০০ ‘নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ গঠন করেছে ইসি। গতকাল আইন বিষয়ক-১ নং অনুবিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত এই ইসি সচিবালয় থেকে ইস্যুকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ অনুসন্ধানের পাশাপাশি সংঘটিত অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারের নিমিত্তে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ কমিটি গঠনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের পাশাপাশি আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সুপারিশও গ্রহণ করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কমিটির কর্মকর্তারা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন থাকবে এবং নিজ দপ্তর থেকে অবমুক্ত থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।


