
গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদি বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নিন্দা-প্রতিবাদ
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
আমরা অপেক্ষা করছি হয়তো জীবন হারাবো, কিন্তু জুলাইকে ত্যাগ করবো না: নাহিদ ইসলাম
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। গতকাল রাতে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। গতকাল রাতে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গতকাল দলটির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক হয়। তারেক রহমান এতে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি মহাসচিব সংবাদমাধ্যমকে তারেক রহমানের ফেরার এ তারিখ জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সংগ্রামী নেতা, এ দেশের গণমানুষের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ তারেক রহমান, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, তিনি আগামী ২৫ ডিসেম্বর, আমি আবার রিপিট করছি যে আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি ঢাকার মাটিতে আমাদের মাঝে এসে পৌঁছবেন।’ দলের পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান ২০০৭ সালে এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর গ্রেফতার হন। ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। এর পর থেকে তিনি সে দেশেই আছেন।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল হয় এবং কোনো কোনো মামলায় আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পান। এর পর থেকেই তার দেশে ফেরার আলোচনা শুরু হয়। তারেক রহমান শিগগিরই ফিরবেন—এমন কথা বিএনপি নেতারা কয়েক মাস ধরেই বলে আসছেন। তবে কেউ সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ বলেননি।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে তারেক রহমান দ্রুতই দেশে ফিরছেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে লন্ডন থেকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’
ওই পোস্টে তিনি আরো লেখেন, ‘স্পর্শকাতর বিষয়টির বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়ামাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
এরপর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বারবার বলা হয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফিরতে কোনো বাধা নেই।


