বাবাকে মারধরের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বাবাকে মারধরের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫

‘এমন জায়গায় আঘাত করা হতো যেন দাগ বাইরে থেকে দেখা না যায়’

খ্যাতির শিখরে থাকতেই ভালোবাসার টানে রুপালি পর্দা থেকে সরে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী রতি অগ্নিহোত্রী। কিন্তু সে সিদ্ধান্তই তাঁকে ঠেলে দেয় তিন দশকের দুঃসহ নরক যন্ত্রণায়।

কে এই রতি?

১৯৮০-এর দশকে ‘এক দুজে কে লিয়ে’ ও ‘কুলি’ ছবির সুবাদে রতি ছিলেন তৎকালীন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। কিন্তু ১৯৮৫ সালে স্থপতি অনিল বিরওয়ানিকে বিয়ে করে তিনি চলচ্চিত্রজীবন থেকে দূরে সরে যান। বাইরে থেকে সুখের সংসার মনে হলেও অন্তর্গত বাস্তব ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

নীরবে চলত নির্যাতন
বহু বছর পর এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে রতি জানান, বিয়ের শুরুর দিক থেকেই শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়েছিল। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি তা সহ্য করেছেন—হাসিমুখে, নিখুঁত জনসমক্ষ ইমেজের আড়ালে। এত কিছু সহ্য করেও কেন থেকে গিয়েছিলেন? রতি জানান, তাঁর থাকার দুটি কারণ ছিল—বিবাহবন্ধনের পবিত্রতায় বিশ্বাস আর বিয়ের এক বছরের মধ্যেই ছেলে তনুজ বিরওয়ানির জন্ম।

ছেলের ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দিয়ে রতি বারবার নিজেকে বুঝিয়েছেন, একদিন না একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। তিনি জানান, নির্যাতনের বেশির ভাগ আঘাতই এমন জায়গায় করা হতো, যাতে চোট বা দাগ বাইরে থেকে দেখা না যায়; এতে ‘সুখী পরিবার’-এর ভান বজায় রাখতে সুবিধা হতো।

শেষ পর্যন্ত কি তাঁকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য করেছিল? ২০১৫ সালের ৭ মার্চ পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। সেদিন তাঁদের ছেলে তনুজ ছিল পুনেতে শুটিংয়ে। হঠাৎই এক সহিংস ঘটনার পর তিনি বুঝে যান, ঘুরে দাঁড়াতে হবে।

সিনেমার পোস্টারে মিঠূন চক্রবর্তীর সঙ্গে রতি অগ্নিহোত্রী। আইএমডিবি
সিনেমার পোস্টারে মিঠূন চক্রবর্তীর সঙ্গে রতি অগ্নিহোত্রী। আইএমডিবি
রতি বলেন, ‘তখন আমার বয়স ৫৪। ভাবলাম, বয়স বাড়বে, শরীর দুর্বল হবে, একদিন এটি আমাকে মেরে ফেলবে।’
এক সপ্তাহ পর রতি একা পুলিশ স্টেশনে গিয়ে সাহস সঞ্চয় করে প্রথমবারের মতো নির্যাতনের অভিযোগ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *