
দুইটা ভোট পেয়ে মাথা খারাপ হয়ে গেছে, নিজেকে সংযত করুন— সাদিক কায়েমকে মাসুদ কামাল
নভেম্বর ২৪, ২০২৫
ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী প্রস্তুত: ইসি সচিব
নভেম্বর ২৪, ২০২৫আশুলিয়ায় তাজরীন গার্মেন্টস দুর্ঘটনার ১৩তম বার্ষিকী আজ। দিনটি উপলক্ষে নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবার কারখানা প্রাঙ্গণে এসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় এবং তাদের দীর্ঘদিনের বেদনা ও অনিশ্চয়তার কথা তুলে ধরে।
১৩ বছর আগে ঘটে যাওয়া এ শিল্পদুর্ঘটনার পর পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও ন্যায়বিচার না পাওয়ায় এখনও কঠিন জীবনযাপন করছেন অনেক শ্রমিক এবং তাদের পরিবার। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, তাজরীন ট্রাজেডির ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি ও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আলোচনাই বেশি হয়েছে—বাস্তব সমাধান হয়নি তেমনভাবে। ফলে হতাশা বাড়ছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে।
২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরীন ফ্যাশনে আগুন লাগে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুনে ঝুঁকিতে পড়ে অসংখ্য শ্রমিক। অনেকে বের হতে না পারায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, আর অনেকে আহত হয়ে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক কষ্ট ও মানসিক আঘাত নিয়ে আজও জীবন পার করছেন।
সোমবার সকালে নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা কারখানা এলাকায় উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধার ফুল অর্পণ করেন। আহত শ্রমিকদের অনেকেই সেখানে এসে জানান, বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে তারা যথাযথ সহায়তা পাননি; তাই এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান।
এ দুর্ঘটনায় ১১৪ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ২০০ জন আহত হন। যারা বেঁচে ফিরেছেন, তাদের অনেকে আজও কাজের অক্ষমতা, পরিবারে আর্থিক সংকট এবং সেই দিনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।
শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানান, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারি বা মালিকপক্ষের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পাওয়া যায়নি। পুনর্বাসন, উন্নত চিকিৎসা এবং পুনরায় স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে শ্রমিকদের আরও সহযোগিতা এখনো প্রয়োজন। নেতারা বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে শ্রমিকদের প্রত্যাশা এখনও রয়েছে, এবং তারা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছেন।


