গাকৃবির সঙ্গে সুপ্রিম সিড কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর
অক্টোবর ২৮, ২০২৫
যমুনায় প্রথম নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা বসছে আগামীকাল গুরুত্ব পাবে ভোট ও ভোটারের নিরাপত্তা
অক্টোবর ২৮, ২০২৫
গাকৃবির সঙ্গে সুপ্রিম সিড কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর
অক্টোবর ২৮, ২০২৫
যমুনায় প্রথম নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা বসছে আগামীকাল গুরুত্ব পাবে ভোট ও ভোটারের নিরাপত্তা
অক্টোবর ২৮, ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৪২,৭৬১ ভোট কেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত ভোট কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকায় দেশের ৬৪ জেলার ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ৪২ হাজার ৭৬১ ভোট কেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত ভোট কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকায় দেশের ৬৪ জেলার ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ৪২ হাজার ৭৬১ ভোট কেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘আমরা চূড়ান্তভাবে ভোট কেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করেছি। ৬৪ জেলার ৩০০ সংসদীয় আসনে কেন্দ্র সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১। মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা পুরুষ-মহিলা মিলিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯। এর মধ্যে পুরুষের কক্ষ সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭ এবং নারীদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২।’
একটি কক্ষে গড়ে প্রায় তিন হাজার ভোটার থাকবেন বলে জানান ইসি সচিব। এ কক্ষবিন্যাস পরবর্তী সময়ে ভোট ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সমন্বয় করে চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা অস্থায়ী কেন্দ্র হিসেবেও ১৪টি স্থানের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছি, যেখানে আনুমানিক ১২টি অস্থায়ী কক্ষ থাকবে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) শাপলা প্রতীক বরাদ্দে কমিশনের অবস্থান আগের মতোই জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দ হবে কমিশনের স্ববিবেচনায়। এখন পর্যন্ত এর কোনো বিকল্প প্রস্তাব আসেনি, নিবন্ধনের সময়ই প্রতীক চিহ্নিত করে দেয়া হবে। যেহেতু বিষয়টি (শাপলা) তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই তা রাখার প্রয়োজন নেই—এ আইনি ব্যাখ্যার বিষয়ে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট।’
সচিব জানান, রাজনৈতিক দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বিষয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে কমিশন। সামান্য পিছিয়ে পড়া সার্বিক প্রস্তুতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ২২টি রাজনৈতিক দলের মাঠ-পর্যায়ের অতিরিক্ত তথ্য যাচাই চলছে, যা চলতি সপ্তাহেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমরা প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ প্রস্তুত।’
জোটভুক্ত দলগুলোর প্রতীক বিতরণ, গণভোট আয়োজন এবং আরপিও সংশোধন নিয়ে চলমান আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সচিব বলেন, ‘আইনি কাঠামোর বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই। জোটের প্রার্থীদের প্রতীক নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে আরপিওর ২০ ধারায় সংশোধনী দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি দেয়া হয়েছে।’ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনে অনেক দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা হয়েছে। যদি সাংঘর্ষিক কিছু থাকে, সেটা কমিশনেও আলোচিত হতো। গত রোববার বিএনপির প্রতিনিধিরা এসেছিলেন, তারাও বিষয়টি বলেছেন ও চিঠি দিয়ে গেছেন। এখন তারা নিশ্চয়ই আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন বা করবেন। সবার জন্য গ্রহণযোগ্য সমাধানই হবে।’
আরপিও সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি জানান, কমিশন মোট পাঁচটি বিবেচনায় প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করেছে—কিছু প্রস্তাব নির্দ্বিধায় গ্রহণযোগ্য, কিছু ভাষাগত বা সংখ্যাগত সংশোধনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য, কিছুতে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন, কিছু বিদ্যমান আইনেই যথাযথ, আর কিছু কমিশনের নিজস্ব বিবেচনায় পরিবর্তনযোগ্য। তিনি আরো বলেন, ‘এ প্রেক্ষাপটেই সংশোধন প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো হয়েছে।’
চার মাসের মধ্যে গণভোট আয়োজন হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গণভোটের ব্যাপারে ইসিতে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য নেই। তফসিলে গণভোট অন্তর্ভুক্ত না থাকায় কমিশন এ বিষয়ে কোনো প্রস্তুতি নেয়নি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *