
মাদাগাস্কারে সামরিক অভ্যুত্থান: জেনজি আন্দোলনের মধ্যেই ক্ষমতা দখল করল সেনাবাহিনী
অক্টোবর ১৫, ২০২৫
আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে আত্মঘাতী হামলায় ৭ পাকিস্তানি সেনা নিহত
অক্টোবর ১৭, ২০২৫ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে— বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। তবে মোদি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে ভারত আপাতত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে না। এখন আমরা চীনকেও একই কাজ করতে বলব।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে আশ্বস্ত করেছেন, ভারত আর রাশিয়া থেকে তেল কিনবে না। বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প জানান, রুশ জ্বালানি থেকে আয়ের পথ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা আরো জোরদার হচ্ছে। তাই ট্রাম্পের লক্ষ্য চীনকেও এখন একই পথে আনা। খবর রয়টার্স।
ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে— বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। তবে মোদি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে ভারত আপাতত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে না। এখন আমরা চীনকেও একই কাজ করতে বলব।’
যদিও ভারতের ওয়াশিংটন দূতাবাস এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
দুটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপর ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলে ভারত ও চীন তুলনামূলক কম দামে রাশিয়া থেকে তেল কিনেছে। বর্তমানে এ দুই দেশই রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানি করা অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।
সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে লক্ষ্যবস্তু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্য আমদানির ওপর তিনি ধারাবাহিকভাবে শুল্ক বাড়িয়েছেন, যাতে দিল্লির ওপর চাপ সৃষ্টি করে রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে আনা যায়। এ বছর গ্রীষ্মে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি না হওয়ায় ট্রাম্প প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। পরে রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ভারতের ওপর আরো ২৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ান তিনি।
তবে চীনের ক্ষেত্রে ট্রাম্প এখনো একই ধরনের চাপ প্রয়োগে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ককে জটিল করে তুলেছে। তাই ট্রাম্প আর চাইছেন না এ অবস্থায় রাশিয়ার তেল নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন সংঘাত শুরু করতে।


