
আগামী বছর বিয়ের পরিকল্পনা, ফেসবুক স্ট্যাটাসে দোয়া চাইলেন ইশরাকের হবু স্ত্রী
অক্টোবর ১২, ২০২৫
বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের বৈঠক
অক্টোবর ১২, ২০২৫বিবৃতিতে এ হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ আখ্যা দিয়েছে আইএসপিআর। তারা বলছে, সন্ত্রাসবাদকে মদত দিতে এবং অস্থিতিশীলতা তৈরির ‘ষড়যন্ত্রে’র অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
আফগানিস্তান থেকে চালানো অতর্কিত হামলায় পাকিস্তানের ২৩ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এর জবাবে পাল্টা অভিযানে ২০০ জনের বেশি তালেবান ও তাদের সহযোগী সন্ত্রাসীকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তান। আজ রোববার (১২ অক্টোবর) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ডন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ১১ ও ১২ অক্টোবরের রাতে আফগান তালেবান এবং ভারতীয় মদদপুষ্ট ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ গোষ্ঠী বিনা উসকানিতে পাক-আফগান সীমান্ত এলাকা হামলা চালায়।
বিবৃতিতে এ হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ আখ্যা দিয়েছে আইএসপিআর। তারা বলছে, সন্ত্রাসবাদকে মদত দিতে এবং অস্থিতিশীলতা তৈরির ‘ষড়যন্ত্রে’র অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, আত্মরক্ষার স্বার্থে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সীমান্তজুড়ে চালানো এই আক্রমণ প্রতিহত করেছে এবং তালেবান বাহিনী ও তাদের সহযোগী খাওয়ারিজদের ভারী ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আফগান ভূখণ্ডে তালেবান শিবির, সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ ও আইএসকেপি নেটওয়ার্কে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও স্থল হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে বেসামরিক প্রাণহানি রোধ এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, এ সংঘর্ষে দেশের ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতে গিয়ে দেশের ২৩ সাহসী সন্তান শাহাদাতবরণ করেছেন এবং আরো ২৯ জন সেনা আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে তাদের হামলায় ২০০ জনের বেশি তালেবান ও তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী ‘নির্মূল’ হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। এ ছাড়া সীমান্তজুড়ে তালেবানের একাধিক ঘাঁটি, শিবির ও সদর দপ্তর ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। অভিযানের সময় আফগান সীমান্তের অভ্যন্তরে ২১টি চৌকি সাময়িকভাবে দখল করার কথাও জানিয়েছে তারা।
বিবৃতিতে এ হামলার জন্য তালেবান সরকার ও ভারতকে দায়ী করেছে পাকিস্তান। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করেছি, হামলার এ ঘটনা এমন সময় ঘটল, যখন তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অঞ্চলটিতে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক ভারত সফরে রয়েছেন।
আইএসপিআরের দাবি, গত রাতের ঘটনা পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অবস্থানকেই প্রমাণ করে, তালেবান সরকার সক্রিয়ভাবে সন্ত্রাসীদের মদত দিচ্ছে। যদি ভারত ও তালেবান সরকার জোটবদ্ধ হয়ে অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার এ হঠকারী চক্রান্ত চালিয়ে যায়, তবে আফগানিস্তান থেকে আসা সন্ত্রাসের এ হুমকি সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান রাষ্ট্র ও এর জনগণ শান্ত হবে না। তাই তালেবান সরকারকে অবিলম্বে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ ও আইএসকেপির মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় পাকিস্তান তার জনগণের সুরক্ষায় সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে।


