আরও ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
অক্টোবর ১১, ২০২৫
উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই— আইন উপদেষ্টা
অক্টোবর ১১, ২০২৫
আরও ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
অক্টোবর ১১, ২০২৫
উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই— আইন উপদেষ্টা
অক্টোবর ১১, ২০২৫

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে: নৌ উপদেষ্টা

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"curves":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

এ সময় উপদেষ্টা গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের ওপর আরোপিত নানান বিধি-নিষেধ নিয়ে কথা বলেন। এ বিধিমালাকে ২০২৪ সালের নির্বাচনসহ বিগত তিনটি নির্বাচনী বিধিমালার কপি-পেস্ট হিসেবে তুলনা করেন উপস্থিত সাংবাদিক নেতা ও প্রতিনিধিরা।

ইসির যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের সংকল্প থাকে তাহলে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। কেবলমাত্র মিডিয়াই দেখাতে পারে নির্বাচন আসলে কেমন হচ্ছে। সেজন্য বিধিমালা সংশোধনে নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিকদের সঙ্গে বসা উচিত বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অঙ্গীকার। এর বাইরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সরকারের কারো নিজস্ব কোনো স্বার্থ বা দলীয় আকাঙ্ক্ষা নেই। নির্বাচনের দায়িত্ব মূলত নির্বাচন কমিশনের কিন্তু সরকার তার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে গণমাধ্যমের জন্য নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা-২০২৫ এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) ও সাংবাদিকদের সংগঠন-আরএফইডি।

এ সময় উপদেষ্টা গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের ওপর আরোপিত নানান বিধি-নিষেধ নিয়ে কথা বলেন। এ বিধিমালাকে ২০২৪ সালের নির্বাচনসহ বিগত তিনটি নির্বাচনী বিধিমালার কপি-পেস্ট হিসেবে তুলনা করেন উপস্থিত সাংবাদিক নেতা ও প্রতিনিধিরা।

এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফ্রি ইলেকশান মানে হলো নির্বাচনে সবাই ইচ্ছেমতো চলাফেরা করার সুযোগ পাবে। ফেয়ার অর্থ আমি যাকে ভোট দিচ্ছি তিনি সেই ভোটটা পাবেন। আর সাধারণ ভোটার যদি বলে যে আমি ঠিকঠাকভাবেই ভোট দিয়েছি সেটার মানেই ক্রেডিবল ইলেকশান। এর বাইরে কে কী বললো, কে প্রত্যাখ্যান করলো সেটি বিষয় নয়। আর তাই ভোটকে ফ্রি, ফেয়ার আর ক্রেডিবল করতে হলে সবচেয়ে সহায়ক শক্তি হতে পারে মিডিয়া। তাই, ইসি ও সাংবাদিক উভয়কেই ‘ভোটকেন্দ্র’ এবং ‘ভোট কক্ষের’ পার্থক্য বুঝতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ইসির কাছে ব্যক্তিগত ভাবে আমি সাংবাদিক নীতিমালা সংশোধনের অনুরোধ জানাই। ব্যক্তিগতভাবে আমি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে চাই। সরকারও আস্থা রাখছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *