
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু, তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিল চিফ প্রসিকিউটর
অক্টোবর ৭, ২০২৫
আমরা এখনো টেকসই শাসন ব্যবস্থা গড়তে পারিনি: পরিকল্পনা উপদেষ্টা
অক্টোবর ৭, ২০২৫বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্স আসে সৌদি আরব থেকে। এই অর্থপ্রবাহ আরো কার্যকর ও স্বল্প ব্যয়ে স্থানান্তরের সুযোগ রয়েছে, যা প্রবাসী কর্মী ও দুই দেশের আর্থিক খাত—উভয়ের জন্যই লাভজনক হবে।
সৌদি আরবের অর্থনীতির জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি পরিপূরক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
মঙ্গলবার রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘সৌদি আরব–বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৫’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে সৌদি আরব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসএবিসিসিআই)।
গভর্নর বলেন, সৌদি আরবের প্রচুর দক্ষ ও স্বল্প দক্ষ শ্রমিক দরকার, যা বাংলাদেশ অনেক দিন ধরেই তা সরবরাহ করে আসছে। বাণিজ্যিক খাতে বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিনিয়োগ দরকার, উভয় ক্ষেত্রেই সৌদি আরবের যথেষ্ট সক্ষমতা আছে। বাংলাদেশেরও সৌদি আরবের বাজারে বড় আকারে পোশাক ও অন্যান্য পণ্য রফতানি করার সুযোগ আছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্স আসে সৌদি আরব থেকে। এই অর্থপ্রবাহ আরো কার্যকর ও স্বল্প ব্যয়ে স্থানান্তরের সুযোগ রয়েছে, যা প্রবাসী কর্মী ও দুই দেশের আর্থিক খাত—উভয়ের জন্যই লাভজনক হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দ্রুতই ট্রিলিয়ন ডলারের দিকে যাচ্ছে দাবি করে গভর্নর বলেন, ইসলামী বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ও সংযোগ বাড়াতে পারলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে। দক্ষিণ এশিয়ায় সৌদি আরবের সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ শুধু ভারতে না গিয়ে বাংলাদেশেও আসা দরকার। এ দেশের অর্থনীতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বৈশ্বিক অস্থিরতা সামলেও টিকে আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন প্রায় অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারের, ক্রমে তা ট্রিলিয়ন ডলারের দিকে এগোচ্ছে।
সৌদি আরব ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ আয়োজনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।


