
আলু সস্তা হলেও চালের দামে আগুন
অক্টোবর ৬, ২০২৫বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে তিস্তার পানি, কাউনিয়ার চরাঞ্চল প্লাবিত
অক্টোবর ৬, ২০২৫তিনি বলেন, আমরা একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হতে চাই। আগামী নির্বাচনকে যতটা সম্ভব স্বচ্ছ করতে চাই। একদম আয়নার মতো স্বচ্ছ একটি নির্বাচন করতে চাই। তাই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, ভোটার লিস্ট, গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সেক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমরা স্বচ্ছভাবে আয়নার মতো পরিস্কার নির্বাচন করতে চাই। এ জন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আজ নির্বাচন কমিশনের সংলাপে এ কথা বলেন সিইসি। তার সভাপতিত্বে সংলাপে বাকি চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
স্বাগত বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা জাতির কাছে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে লক্ষ্যেই কাজ করছে এ কমিশন। সিইসি জানান, এজন্য সকল অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, আমরা একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হতে চাই। আগামী নির্বাচনকে যতটা সম্ভব স্বচ্ছ করতে চাই। একদম আয়নার মতো স্বচ্ছ একটি নির্বাচন করতে চাই। তাই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, ভোটার লিস্ট, গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সেক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মূলধারার গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, উন মিন বিজনেস। সেজন্য আপনাদের পরামর্শগুলো আমরা সত্যিকার অর্থে এক্সপ্লোর করবো। কারণ আপনাদেরকে আমরা সত্যিকারের অংশীদার মনে করছি। একইসঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অবস্থান লুকানোর কিছু নেই বলেও জানান তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, বর্তমান সময়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্যতম বড় বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছে ডিজিটাল প্লাটফর্মে ছড়ানো মিথ্যা ও ভুয়া খবর। এআইয়ের মাধ্যমে ইচ্ছা করেই অপতথ্য ছড়িয়ে দেয়াটা সহজ, এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাঁধা হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সঙ্গে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন টিভি-চ্যানেলের সাংবাদিকেরা বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যেও মূলত সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল মিডিয়াতে তথ্যের অবাধ প্রবাহের ভয়াবহ কিছু দিক ওঠে আসে। এজন্য তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে তাৎক্ষণিক ফ্যাক্ট চেকের জন্য কমিশনকে একটি কঠোর মনিটরিং সেল গঠনের পরামর্শ দেয়। পরে সিইসি জানান, তারা ‘রিয়েল টাইম মনিটরিং সেল’ তৈরির কাজ করছেন।
সংলাপে গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা নির্বাচনের দিন প্রেসকার্ডের মাধ্যমে মূলধারার গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্য সংগ্রহে নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তার জন্য সিইসিকে তাগাদা দেন। তারা দাবি জানান, পাস থাকলে সাংবাদিকদের যেন ভোটকেন্দ্রে চলাচল করতে কারো অনুমতির প্রয়োজন না লাগে।
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, একটি ভোটকেন্দ্রের সর্বেসর্বা হচ্ছেন প্রিসাইডিং অফিসার। তিনিই সবকিছুর ব্যবস্থাপনায় থাকবেন। তাই তার অনুমতি গ্রহণ আইনি বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে। তবে আমরা নিশ্চিত করব যে, অনুমতি নিতে হলেও সেখানে যেন কোনো প্রকার বাঁধা না আসে।
এছাড়াও ভোটের সময়ে মাঠের বাস্তবতার নানান বিষয় নিয়ে এখানে কমিশনের সদস্য ও গণমাধ্যম কর্মীরা কথা বলেন। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার জন্য তাদের আন্তরিকতার কোনো ত্রুটি নেই।


