কোরআন অবমাননায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী স্থায়ী বহিষ্কার
অক্টোবর ৫, ২০২৫
উন্নয়নমূলক কাজে প্রতিযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে সারজিস
অক্টোবর ৫, ২০২৫
কোরআন অবমাননায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী স্থায়ী বহিষ্কার
অক্টোবর ৫, ২০২৫
উন্নয়নমূলক কাজে প্রতিযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে সারজিস
অক্টোবর ৫, ২০২৫

কমিশন একাধিক বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দেবে: আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে একমত না হয়, তাহলে কমিশন একাধিক বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রস্তাব প্রস্তুত করবে।

রোববার (০৫ অক্টোবর) দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে ছয়টি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছিল, এসব প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমন্বিত প্রস্তাবে উপনীত হতে। যদি উপস্থিত ৩০টি দল একটি যৌথ প্রস্তাব দিতে পারে, তাহলে তা আন্তরিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

আলী রীয়াজ বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বরের আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো বিশেষজ্ঞদের অবহিত করা হয়েছে এবং তাদের পরামর্শও নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, একমত হওয়া গেলে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে। এ লক্ষ্যে কমিশন একই দিন সকালে প্রধান উপদেষ্টা ও কমিশনের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছে। প্রধান উপদেষ্টা দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন এবং সনদকে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত গ্রহণযোগ্য দলিলে রূপান্তর করার আহ্বান জানিয়েছেন।

কমিশনের উদ্দেশ্য ১৫ অক্টোবরের মধ্যেই বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা বলে জানিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, আজ আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট, সুস্পষ্ট এবং বাস্তবভিত্তিক প্রস্তাব প্রত্যাশা করছি। দলগত বিবেচনার বাইরে সম্মিলিত প্রস্তাব এলে আমরা তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যেও যেন এ আলোচনা ব্যাহত না হয়, সে দিকেও কমিশন লক্ষ রাখছে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আবার বসা হতে পারে, তবে দলগুলো একমত হলে তা আর প্রয়োজন হবে না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালনের সময় এখন। ১৬ বছর ধরে রাজনৈতিক কর্মীরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই দায় আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না। কেবল সনদে স্বাক্ষর করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। নাগরিকদের অধিকারই সবচেয়ে বড় বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *