
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার বিস্তার : দ্রুত পদক্ষেপ কাম্য
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫যুব বেকারত্ব এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অক্টোবর ৮, ২০২৫জাকির হোসেন:
অবশেষে প্রচলিত পদ্ধতিতেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী নির্বাচন। আইন অনুযায়ী বিদ্যমান পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রোজার আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোটের দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন এসব তথ্য। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, তারা কারও কথায় চলতে চান না, তারা বিবেকের তাড়নায় কাজ করবেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও আইনকানুন মেনেই কাজ করতে চায় বলে তিনি জানান। কাউকে কোনো আনুকূল্য দেওয়া নয়, নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে চান তারা। নির্বাচনে যাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে, সেটার ব্যবস্থা করতে কমিশন সর্বশক্তি নিয়োগ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এসব বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, একটা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসির আন্তরিকতার অভাব নেই। আমরাও চাই, পরপর তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের পর এবারের নির্বাচন এ দেশের মানুষের কাছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গ্রহণযোগ্য হবে। এমন নির্বাচন দীর্ঘদিন থেকে জাতি প্রত্যাশা করে আসছে। আগামী নির্বাচন কারচুপিমুক্ত করার জন্য উদ্যোগেরও অভাব দেখছি না আমরা। নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে আরপিওতে প্রস্তাব করা হয়েছে। ওদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য সক্রিয় থাকবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার ভাষায় রাজনৈতিক দলগুলো যাতে ‘ফাউল’ করতে না পারে, সেজন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন। এখন আগামী নির্বাচন প্রকৃতপক্ষেই কেমন হবে, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
জাকির হোসেন, সম্পাদক, সিটিনিউজ সেভেন ডটকম


