বালু লুটের মহোৎসব: বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ কাম্য
আগস্ট ২৪, ২০২৫
বিএনপির প্রতিষ্ঠা এবং আজকের রাজনীতি
সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫
বালু লুটের মহোৎসব: বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ কাম্য
আগস্ট ২৪, ২০২৫
বিএনপির প্রতিষ্ঠা এবং আজকের রাজনীতি
সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫

ডাকসু নির্বাচন : যে কোনো মূল্যে শৃঙ্খলা চাই

জাকির হোসেন:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে (ডাকসু) বলা হয় দেশের দ্বিতীয় পার্লামেন্ট। ডাকসু ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতা সৃষ্টির সাপ্লাই লাইনও বটে। বিশ্ববিদ্যালয়টির হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর ভোটে নির্বাচিত ডাকসুর ছাত্র প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময় দেশের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৯ সেপ্টেম্বর। আর এ নির্বাচন সামনে রেখে প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক প্রচারণার প্রথম দিনে প্রার্থীদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ। প্রতিটি প্যানেলের ছিল বৈচিত্র্যময় আহ্বান, ভোটারদের কাছে টানার সে কী আকুলতা! এবারের ডাকসু নির্বাচনে ভিসি পদে ৪৫, জিএস পদে ১৯ এবং এজিএস পদে ২০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারণা চলবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, এর একদিন পর ছাত্রছাত্রীরা ভোট দেবেন পছন্দের প্রার্থীকে। আচরণবিধি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রচারণা চালানো হবে, শুধু ছাত্রীদের হলে এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ১০টা করা হয়েছে।

সুখবর হলো, এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে এবং হলগুলোয় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে থাকবে সেনাবাহিনী।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, একমাত্র ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছাড়া ডাকসুর সব নির্বাচনই সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সরকারসমর্থিত ছাত্রলীগের কর্মীরা ব্যালট বাক্স পর্যন্ত ছিনতাই করেছিল। ডাকসুর ইতিহাসে এ এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। আমরা আশা করব, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে বহুল কাঙ্ক্ষিত রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করাসহ ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলীকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এতে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।

ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে এবং তফসিল ঘোষণা করা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে।

নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে ইসি জানিয়েছে, তফসিল ঘোষণার দুই মাস আগে হেলিকপ্টার সহায়তার প্রয়োজন হবে— এমন ভোটকেন্দ্র বাছাই করে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র, কক্ষ সংখ্যা, নিকটবর্তী হেলিপ্যাড, যাত্রা শুরু ও শেষ এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্য জানানোর জন্য জেলা নির্বাচন অফিসার, রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া, তফসিল ঘোষণার ১০ দিন আগে নিকটবর্তী টেকঅফ ও ল্যান্ডিং স্টেশন নির্দিষ্ট করে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র ও কক্ষ সংখ্যার ভিত্তিতে যাতায়াতের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্ধারণ করে হেলিকপ্টার সহায়তা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রস্তুত করতে হবে।

 

জাকির হোসেন, সম্পাদক, সিটিনিউজ সেভেন ডটকম

 

Old
Old

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *