অসহায় সেজে ৪ শিশু নিয়ে উধাও নারী, অবশেষে গ্রেপ্তার
মার্চ ২৯, ২০২৫
ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত শোলাকিয়া, থাকছে ৪ স্তরের নিরাপত্তা
মার্চ ২৯, ২০২৫
অসহায় সেজে ৪ শিশু নিয়ে উধাও নারী, অবশেষে গ্রেপ্তার
মার্চ ২৯, ২০২৫
ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত শোলাকিয়া, থাকছে ৪ স্তরের নিরাপত্তা
মার্চ ২৯, ২০২৫

মিয়ানমারের মতো বাংলাদেশেও বড় মাত্রার ভূমিকম্পের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘ভূমিকম্প’ শব্দটা শুনলেই গা শিউরে ওঠে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে সব ধ্বংস চিত্র।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে পর পর তেমনই দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ৭ এবং ৬ দশমিক ৪। এতে দেশ দুটি বেশ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বাংলাদেশেও একই মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (২৯ মার্চ) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশেও একই মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষত চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং ঢাকা অঞ্চল ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এ অবস্থায় ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য সব পর্যায়ে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ ও সচেতনতা তৈরিতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছে।

ফায়ার সর্ভিসের দেওয়া নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০ অনুযায়ী ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ করা।

২. ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবনগুলোর সংস্কার ও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

৩. সব বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিপ্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা।

৪. ইউটিলিটি সার্ভিসসমূহ যথা গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের লাইনের সঠিকতা নিশ্চিত করা।

৫. ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি পর্যায়ে বিভিন্ন করণীয় সম্পর্কে নিয়মিত মহড়া অনুশীলন ও প্রচারের ব্যবস্থা করা।

৬. জরুরি টেলিফোন নম্বর যেমন ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি নম্বরসমূহ ব্যক্তিগত পর্যায়ের পাশাপাশি সব ভবন বা স্থাপনায় সংরক্ষণ করা এবং তা দৃশ্যমান স্থানে লিখে রাখা।

৭. ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দুর্যোগকালীন সময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখা।

৮. জরুরি প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সরঞ্জামাদি যেমন- টর্চলাইট, রেডিও (অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ), বাঁশি, হ্যামার, হেলমেট/কুশন, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ সামগ্রী, ফার্স্ট এইড বক্স, শিশু যত্নের সামগ্রী ইত্যাদি বাসা-বাড়িতে নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ করা যাতে ভূমিকম্প পরবর্তীতে আটকা পরলে তা ব্যবহার করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা যায়।

৯. সব পর্যায়ে তদারকি সংস্থার কার্যক্রমে সহযোগিতা করা।

এ ছাড়া যেকোনো তথ্যের জরুরি প্রয়োজনে ০১৭২২৮৫৬৮৬৭ মোবাইল নম্বর ও ১০২ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

 

Old
Old

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *