ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মির
মার্চ ১৪, ২০২৫
সেই সংবাদ উপস্থাপিকার চাকরি ফিরিয়ে দিতে বললেন হাসনাত
মার্চ ১৪, ২০২৫
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মির
মার্চ ১৪, ২০২৫
সেই সংবাদ উপস্থাপিকার চাকরি ফিরিয়ে দিতে বললেন হাসনাত
মার্চ ১৪, ২০২৫

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘের মহাসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প শুক্রবার (১৪ মার্চ) পরিদর্শন করবেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরিদর্শনকালে গুতেরেস ও প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী ও মায়ানমারে নিপীড়ন ও সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে ইফতার করবেন।

বেলা ১১টায় কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন জাতিসংঘের মহাসচিব।

প্রায় সাত বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ সফরে এসেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সূচি অনুযায়ী সফরের দ্বিতীয় দিন আজ প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তিনি।

দুপুর ১২টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন গুতেরেস। প্রথমে তিনি রোহিঙ্গা কালচারাল সেন্টারে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড উপভোগ করবেন। এরপর যাবেন রোহিঙ্গা লার্নিং সেন্টারে। সেখানে রোহিঙ্গা যুবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত পাটজাত পণ্যের কারখানাও পরিদর্শন করবেন তিনি।

অন্যদিকে, ড. ইউনূস কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণের পর, সেখানে একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি একটি জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। পরে নামাজ ও বিশ্রামের বিরতি নেবেন।

দুপুর ২টার পর ড. ইউনূস জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানে তিনি মতবিনিময় করবেন মহাসচিবের সঙ্গে। পরে দুইজনে লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।

চার দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকায় আসেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের জন্যে আন্তর্জাতিক সাহায্যের পরিমাণ অর্ধেকের বেশি কমে যাওয়ায় প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সফর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় রোহিঙ্গাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আগে গুতেরেসের এই সফর আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণে ইতিবাচক।

এদিকে, বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিও এই সফরে ছায়া ফেলতে পারে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার ব্যাপারে জাতিসংঘ মহাসচিব কী ধরনের বার্তা দেন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Old
Old

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *