
সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতা লেনদেন বেড়েছে ১৮ শতাংশ
সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
সুদহার বৃদ্ধির প্রভাব স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও রয়েছে পতনের ঝুঁকি
সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬পরিস্থিতি এমন স্বাভাবিক থাকলে সামনের দিনগুলোয় দাম আর বাড়বে না বলে জানান বিক্রেতারা।
দিনাজপুরের হিলিতে সরবরাহ বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা। পরিস্থিতি এমন স্বাভাবিক থাকলে সামনের দিনগুলোয় দাম আর বাড়বে না বলে জানান বিক্রেতারা। গতকাল হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় প্রায় সব দোকানেই পেঁয়াজের যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে। ফলে বাজারে দামও কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩৫ টাকায় নেমে এসেছে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মমিনুল ইসলাম বণিক বার্তাকে জানান, মূলত নাটোর ও পাবনা অঞ্চল থেকে পেঁয়াজ কিনে সেগুলো স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।
সরবরাহ ভালো থাকায় বেশ কিছুদিন ধরেই দাম স্থিতিশীল রয়েছে। মাঝেমধ্যে সরবরাহ কমবেশি হলে দামও ওঠানামা করে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে কৃষকদের কাছে থাকা পেঁয়াজগুলোও বাজারে আসতে পারেনি। এতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেকটা কম ছিল। ফলে মোকামেই পেঁয়াজের দাম খানিকটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তিনি আরো জানান, বর্তমানে আবহাওয়া ভালো থাকায় কৃষকরা পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ছেন। ফলে মোকামে সরবরাহ খানিকটা বাড়ায় প্রতি মণের দাম কমেছে ৩০০ টাকা। আগে মণপ্রতি পেঁয়াজ ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১ হাজার ২০০ টাকায় নেমে এসেছে। এখন বিক্রেতারাও কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। তাই খুচরা পর্যায়েও দাম কমে গেছে। দাম কমায় ক্রেতাদের চাহিদাও আগের তুলনায় বেড়েছে। সরবরাহ এমন থাকলে দাম বাড়বে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি বা পণ্য মজুদ করতে না পারেন, সে বিষয়ে আমরা নজর রাখছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার বিভিন্ন হাট ও বাজারে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি বা মজুদের প্রমাণ পাওয়া গেলে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

