
সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা —কৃষিমন্ত্রী
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
ব্যাংক এমডিদের নিয়োগ ও দক্ষতা মূল্যায়নে বাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতা
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুতে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৩ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০ হাজার।
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৬ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুতে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৩ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০ হাজার।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু পরিস্থিতিবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
ডেঙ্গু প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৩৫ জন। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০৮ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৪৪ জন, চট্টগ্রামে ১০৩, খুলনায় ১৯৯, ময়মনসিংহে ৪৮, রাজশাহীতে ৭৩, রংপুরে ৪৭ ও সিলেট বিভাগে ৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫০ হাজার ২৭৬ জন। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪৬ হাজার ৬৯৯ জন।
সেপ্টেম্বরের প্রথম ১২ দিনেই মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৪৬৩ জনের হাসপাতালে ভর্তির তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তার আগের দিনও ১ হাজার ৫৭১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল এবং মারা যায় নয়জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২৫ সালে দেশে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ৪১৩ জনের। দেশে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায় ২০২৩ সালে। ওই বছর ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের।
ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার মধ্যেই গতকাল থেকে দেশব্যাপী তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
সরকারের এ কর্মসূচির আওতায় এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি-বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কর্মসূচি চলবে আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।


