
হরমুজ প্রণালির কাছে ‘প্রবেশ নিষিদ্ধ’ এলাকা ঘোষণা করবে ইরান
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
হরমুজ এড়িয়ে জ্বালানি রফতানির বিকল্প পথ খুঁজছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি বহুতল ছাত্রাবাস ভবনধসের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। গতকাল দুপুরে সত্য নিকেতন এলাকায় অবস্থিত ভবনটি ধসে পড়ে। এর ধ্বংসস্তূপে আরো ৪০-৫০ শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমস ও এএনআই।
গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালান। তাদের কাছাকাছি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের (এআইআইএমএস) ট্রমা সেন্টারে ভর্তি দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ভবনধসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। এতে ‘যুদ্ধকালীন তৎপরতার’ মতো গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাশের ভবনটি খালি করে দেয়া হয়েছে।
এর আগে বেলা ১টা ৩৪ মিনিটের দিকে নয়াদিল্লির দক্ষিণ ক্যাম্পাস থানায় ভবনধসের খবর আসে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে অর্ধশতের মতো শিক্ষার্থী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধসে পড়া ভবনটি ছেলেদের পেইং গেস্ট (পিজি) হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, পাঁচতলা ভবনটির নাম ছিল ‘হোস্টেল ডেজ’। এটি ছেলেদের থাকার জন্য ব্যবহৃত হতো।
ওই প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা অনুযায়ী, পাশের একটি ভবনও ধসে পড়েছে। কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। ভবনে ঠিক কতজন ছিলেন, তা নিবন্ধনের রেকর্ড পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। অনেক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি। উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানে দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনী, দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন, সিটিএস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে সত্য নিকেতনে ভবনধসের ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা এমসিডির সিভিক সেন্টারে অবস্থিত কার্যালয়ে ভাংচুর করেন। ভবনধসের ঘটনায় এমসিডির কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেন তারা।


