
নৌ-বাণিজ্যে ‘ফ্রেইট রেট বুম’ জুলাইয়ে বৈশ্বিক পণ্য পরিবহন ব্যয় রেকর্ড উচ্চতায়
আগস্ট ১৯, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০ লাখ গাড়ি ফিরিয়ে নিচ্ছে স্টেলান্টিস
আগস্ট ১৯, ২০২৬কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিপণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা বাড়ায় জুলাইয়ে সিঙ্গাপুরের রফতানি ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
দেশটির তেলবহির্ভূত অভ্যন্তরীণ রফতানি (এনওডিএক্স) গত মাসে বেড়েছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ। এর আগে জুনে রফতানি বাড়ে ২০ দশমিক ৮ শতাংশ। খবর দ্য স্ট্রেট টাইমস।
তবে জুলাইয়ের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের চেয়ে কম হয়েছে। ব্লুমবার্গের জরিপে অর্থনীতিবিদরা ২৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। গতকাল এসব তথ্য প্রকাশ করেছে এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুর।
সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত সরকারি সংস্থাটি জানায়, রফতানি প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইলেকট্রনিকস পণ্য। জুলাইয়ে সিঙ্গাপুরের ইলেকট্রনিকস এনওডিএক্স বেড়েছে ১১২ শতাংশ। বিপরীতে ইলেকট্রনিকস-বহির্ভূত পণ্য রফতানি কমেছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ।
এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের জোরালো বৈশ্বিক চাহিদার কারণে জুলাইয়ে সিঙ্গাপুরের ইলেকট্রনিকস রফতানিতে নজিরবিহীন প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি। জুনেও এ খাতের রফতানি প্রবৃদ্ধি হয় ১০৫ দশমিক ১ শতাংশ। এআই হার্ডওয়্যার, বিশেষ করে মেমোরি চিপ ও সার্ভার-সংশ্লিষ্ট পণ্যের চাহিদা এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। একই সময় কম্পিউটার রফতানি বেড়েছে ১২০ দশমিক ৮ শতাংশ।
এ পরিস্থিতিতে সিঙ্গাপুর সরকার চলতি বছরের রফতানি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। ২০২৬ সালে দেশটির এনওডিএক্স ১৪-১৬ শতাংশ বাড়তে পারে বলে নতুন পূর্বাভাস দেয়া হয়। এর আগে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল ৩-৫ শতাংশ।
সিঙ্গাপুরের ইলেকট্রনিকস রফতানির বড় বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান। জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রনিকস পণ্য রফতানি বেড়েছে ৩৭৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
দক্ষিণ কোরিয়ায় বেড়েছে ১১২ দশমিক ১ ও তাইওয়ানে ১২২ দশমিক ১ শতাংশ। তবে জুনের তুলনায় দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে।
জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ চুয়া হান তেং বলেন, ‘এআই অবকাঠামোয় বড় ধরনের বৈশ্বিক বিনিয়োগ সিঙ্গাপুরের ইলেকট্রনিকস পণ্যের চাহিদা ধরে রাখতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর এআই অবকাঠামোয় বিনিয়োগের ফলে সিঙ্গাপুরের রফতানিতে আরো গতি আসতে পারে।’


