স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট ও পিপিআরসির গবেষণা ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
জুলাই ৩০, ২০২৬
সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকায় ২১ বোয়িং উড়োজাহাজ আনছে ইউএস-বাংলা
জুলাই ৩০, ২০২৬একই সঙ্গে আনোয়ার ইব্রাহিম জোর দিয়ে বলেন, মালয়েশিয়া জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার বিষয়টি কোনোভাবেই সহ্য করবে না। তিনি জানান, জনসমাগমস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে তিনি দেশটির পুলিশপ্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পর এ অগ্রগতি হয়েছে, যা সামরিক শাসিত মিয়ানমারের সঙ্গে মালয়েশিয়ার শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন। তিনি আরো বলেন, প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সম্মত হয়েছে।
মালয়েশিয়াভিত্কিক সংবাদ মাধ্যম দ্য স্টারের এক খবরে বলা হয়েছে বুধবার (২৯ জুলাই) জেলেবুর চেন্নাহ এলাকায় স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আনোয়ার বলেন, ‘এ কারণেই মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তারা এখন মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার এবং বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। ‘কেন? কারণ আমরা আলোচনা করেছি। এ ধরনের বিষয় অত্যন্ত সতর্ক কূটনীতির মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হয়,’ বলেন তিনি।
একই সঙ্গে আনোয়ার ইব্রাহিম জোর দিয়ে বলেন, মালয়েশিয়া জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার বিষয়টি কোনোভাবেই সহ্য করবে না। তিনি জানান, জনসমাগমস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে তিনি দেশটির পুলিশপ্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যেই তাদের সতর্ক করেছি। গতকাল আমি পুলিশপ্রধানকে নির্দেশ দিয়েছি, আমি চাই না রোহিঙ্গারা সড়ক ও জনসমাগমস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করুক। এটি মালয়েশিয়া। তারা আমাদের বিরক্ত করতে পারে না। পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।’
আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, এর আগে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর দাবি বাস্তবায়ন করা কঠিন ছিল, কারণ মিয়ানমার তাদের গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেন, “তাদের ফেরত পাঠান, ফেরত পাঠান।” কিন্তু কোথায় পাঠাব? আগে মিয়ানমার তাদের নিতে চাইত না।’
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের স্থানীয় আইন মেনে চলা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণ না হওয়ার আহ্বানও জানান আনোয়ার। তিনি বলেন, ‘আমি রোহিঙ্গাদের বলেছি, মালয়েশীয়দের ব্যবসায় বিঘ্ন ঘটাবে না। যান চলাচল বা মানুষের বসবাসের জায়গায় সমস্যা সৃষ্টি করবে না। তা না হলে মানুষ ক্ষুব্ধ হবে। এটি আমাদের দেশ। মালয়েশিয়া আমাদের দেশ। অন্যদের এটি বিঘ্নিত করা উচিত নয়। তাই আমাদের কঠোর হতে হবে।


