
নেইমারদের ব্রাজিলের সামনে উজ্জীবিত জাপান
জুন ২৯, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতা, হামলা বন্ধ রেখে আলোচনায় ফেরার সিদ্ধান্ত
জুন ২৯, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো আয়োজন করেছে ২৩তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের আসরটি সবদিক থেকে ইতিহাস গড়েছে। এর আগে তিন দেশ মিলে কখনো বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি। আবার ৪৮টি দেশও অতীতে কোনো বিশ্বকাপে খেলেনি। ফুটবলের গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ এবার তাই পেয়েছে বাড়তি মাত্রা। এ উন্মাদনায় শামিল হয়েছেন দেশের শীর্ষ করপোরেট ব্যক্তিত্বরাও। তারা এ বিশ্বকাপে নিজেদের পছন্দের দল, পছন্দের খেলোয়াড় নিয়ে ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তুলে এনেছেন বিশ্বকাপ নিয়ে শৈশবের স্মৃতি—
আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক, প্রিয় খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে মনেপ্রাণে চাইব, এবার যেন আর্জেন্টিনার ঘরে কাপটা যায়। তবে বর্তমান ফর্ম আর টিম ফর্মেশনের বিচারে বলব, এবার কাপ জয়ের সম্ভাবনা বেশি ফ্রান্স ও স্পেনের।
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ দেখেছি কেবল টেলিভিশনের পর্দায়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের সময় আমি গ্রেড ফাইভের ছাত্র। জার্মানির সঙ্গে ফাইনালে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার সময় আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম এবং যখন ঘুম ভেঙে গেল তখন ২-২ স্কোরটা দেখে চোখকে বিশ্বাসই করাতে পারছিলাম না। এরপর ম্যাচের ৮৪ মিনিটে কিংবদন্তি ম্যারাডোনার অনবদ্য একটি পাস থেকে গোল করেন বুরুচাগা এবং আর্জেন্টিনা জয়লাভ করে।
আমার বড় দুই ভাই ব্রাজিলের সাপোর্টার ছিলেন এবং ফাইনালে তারা জার্মানিকে সমর্থন করলেন। ম্যারাডোনার হাতে বিশ্বকাপ দেখে আমি ভীষণ আনন্দ পেয়েছিলাম, আর তাদের হৃদয় ভেঙে যায়।


