শিশু হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড শয্যা বাড়ালেও ফেরত দিতে হচ্ছে অনেক রোগীকে
মে ১৮, ২০২৬
আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করবে পেট্রোবাংলা
মে ১৯, ২০২৬
শিশু হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড শয্যা বাড়ালেও ফেরত দিতে হচ্ছে অনেক রোগীকে
মে ১৮, ২০২৬
আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করবে পেট্রোবাংলা
মে ১৯, ২০২৬

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু একসঙ্গে সেবা পাবে ৩৭ হাজার যাত্রী

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হলো যাত্রীদের জন্য ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম গতকাল এ সেবার উদ্বোধন করেন। একসঙ্গে ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এ ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবে বলে জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আফরোজা খানম বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনী ইশতাহারে ঘোষিত “‍সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট” প্রতিশ্রুতির আলোকে বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য উন্নত মানের ডিজিটাল সেবা দিচ্ছে। আশা করছি, আমরা থার্ড টার্মিনালেও দ্রুত তা উদ্বোধন করতে সক্ষম হব এবং সেটা হবে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’

ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে এ ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত। এর আওতায় রয়েছে টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি টার্মিনাল, ভিভিআইপি টার্মিনাল ও কার পার্কিং এলাকা। এ বিস্তৃত কাভারেজের ফলে বিমানবন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অংশেই যাত্রীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা পাবে। সেবাটির জন্য আধুনিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২৫০টি অ্যাকসেস পয়েন্ট (এপি), ৪৮ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ও ইথারনেট কেবল স্থাপন এবং ৩৭টি অ্যাকসেস সুইচ। এ শক্তিশালী প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর মাধ্যমে বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত ও স্থিতিশীল ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রতিটি অ্যাকসেস পয়েন্ট একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫০ ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে সক্ষম। সে অনুযায়ী ২৫০টি এপি ব্যবহার করে একই সময়ে প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজার ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ গ্রহণ করতে পারবে। সম্পূর্ণ সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, যা পুরো কাভারেজ এলাকাজুড়ে দ্রুতগতির ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করবে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রম গত ২৬ এপ্রিল শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২০ হাজার যাত্রী এ সেবা ব্যবহার করেছে এবং এ সময়ে মোট প্রায় ২ দশমিক ৩ টেরাবাইট ডেটা ব্যবহৃত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *