ইরানি ফুটবল দল অবশ্যই বিশ্বকাপে অংশ নেবে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
এপ্রিল ১৬, ২০২৬
গণরায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে সরকার: গোলাম পরওয়ার
এপ্রিল ১৬, ২০২৬
ইরানি ফুটবল দল অবশ্যই বিশ্বকাপে অংশ নেবে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
এপ্রিল ১৬, ২০২৬
গণরায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে সরকার: গোলাম পরওয়ার
এপ্রিল ১৬, ২০২৬

এক বছরের মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে —পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাবে।’

গতকাল জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি ৭১ বিধির অধীনে গাজীপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য এসএম রফিকুল ইসলামের উত্থাপিত নোটিসের পর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি, এক বছরের মধ্যেই নদী, খাল ও বিলের দূষণ রোধে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমাদের সরকার নতুন হলেও আমরা বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন।’

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘দূষণ শুধু শিল্প কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; বিভিন্ন উপায়ে এটি ঘটে এবং দেশের সামগ্রিক পরিবেশদূষণে অবদান রাখে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আমিনবাজারে একটি বর্জ্য পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) প্লান্ট স্থাপনের প্রস্তাব এরই মধ্যে বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়া দেশের প্রতিটি শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা প্রয়োজন। কারখানায় ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ইটিপি) স্থাপন নিশ্চিত করে নদী, খাল ও জলাভূমির দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে আমরা বেসরকারি খাতকে বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করছি, যাতে কঠিন বর্জ্য সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে তা থেকে জ্বালানি বা জৈব সার উৎপাদন করা যায়।’

বিএনপি সংসদ সদস্য তার প্রশ্নে আরো উল্লেখ করেন, পরিবেশদূষণ শুধু জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি নয়, বরং কৃষি উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে এবং ফসল ও উদ্ভিদের ক্ষতি করছে। তিনি বলেন, ‘অপরিশোধিত তরল বর্জ্য খাল ও জলাভূমিতে ফেলা হচ্ছে, যা নলকূপের মাধ্যমে ব্যবহৃত ভূগর্ভস্থ পানিকে দূষিত করছে এবং ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করছে।’

এর আগে নোটিসে ওই সংসদ সদস্য গাজীপুর-৩ এলাকায় শিল্প বর্জ্যের উদ্বেগজনক দূষণের প্রেক্ষাপটে পরিবেশ রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান।

জবাবে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘গাজীপুর-৩ এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রপ্রাপ্ত মোট ৮৭৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ১২৯টি শিল্প-কারখানা তরল বর্জ্য নিঃসরণ করে। এসব প্রতিষ্ঠানেই বর্জ্য নিঃসরণের আগে বর্জ্য পরিশোধনের জন্য ইটিপি রয়েছে। পাশাপাশি অপরিশোধিত বর্জ্য যাতে সরাসরি জলাশয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করতে পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে সরজমিনে ও অনলাইনে তদারক করছে।’

তিনি আরো জানান, তরল বর্জ্য নিঃসরণকারী ১২৯টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২১টিতে এরই মধ্যে রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের জন্য আইপি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকি আটটিতে স্থাপনের কাজ চলছে। এছাড়া এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে ‘জিরো ডিসচার্জ’ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *