
সৌদি আরবে বিমানঘাঁটিতে হামলা, ১০ মার্কিন সেনা আহত
মার্চ ২৮, ২০২৬
নেপালের ৪৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বালেন্দ্র শাহ
মার্চ ২৮, ২০২৬আবারো হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো ধরনের জাহাজ চলাচল এখন কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মিত্র বা সমর্থক দেশগুলোর বন্দর থেকে আসা বা সেখানে গমনকারী জাহাজের চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘোষণার পরপরই অন্তত তিনটি চীনা কনটেইনার জাহাজ সতর্কবার্তার মুখে প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের এ ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। গতকাল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম আবারো বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরুর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থান।
আইআরজিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি নিয়ে ‘ভুল ও বিভ্রান্তিকর’ বক্তব্য দিচ্ছেন। দুই দেশের মধ্যে কোনো ধরনের সমঝোতার ভিত্তিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে—তার এমন দাবি সঠিক নয় এবং গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথ এখনো তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজকে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে, যা আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে। তবে আইআরজিসি জানিয়েছে, ট্রাম্পের এ বক্তব্যের পরই বিভিন্ন দেশের তিনটি কনটেইনার জাহাজ নির্ধারিত রুট ধরে এগোনোর চেষ্টা করলে নৌবাহিনীর সতর্কবার্তার মুখে সেগুলোকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়। খবর দ্য ইনডিপেনডেন্ট
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, চীনা প্রতিষ্ঠান কসকো শিপিং লাইনসের মালিকানাধীন দুটি বড় কার্গো জাহাজ শুক্রবার ভোরে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় দিক পরিবর্তন করে আবার পারস্য উপসাগরে ফিরে যায়। এছাড়া একই কোম্পানির আরেকটি জাহাজ আগের দিন একইভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
harmuz-map
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা বিবেচনা করছেন বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে। এসব সেনা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের আশপাশে মোতায়েন করা হতে পারে, যা সংঘাতকে আরো তীব্র করার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এ সামরিক প্রস্তুতির পটভূমিতেই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালি প্রায় চার সপ্তাহ ধরে কার্যত অচল রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস এ সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য সার পরিবহনেও এ প্রণালির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কৌশলগত এ জলপথে এখন কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ইরান। বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন এবং ট্যাংকার এসকর্ট দেয়ার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবতা হচ্ছে এ প্রণালিতে ইরান এখনো কৌশলগতভাবে এগিয়ে রয়েছে। ভৌগোলিক সুবিধা ও অপ্রচলিত সামরিক কৌশল ব্যবহার করে তারা এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলোর পক্ষে এ পথে প্রভাব বিস্তার করা কঠিন।
হরমুজ প্রণালির প্রস্থ সবচেয়ে সরু অংশে মাত্র ২৪ মাইল। কিন্তু কার্যত জাহাজ চলাচল সীমাবদ্ধ থাকে দুটি সংকীর্ণ লেনে। ফলে এটি একটি ‘চোকপয়েন্ট’-এ পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ এমন একটি স্থান যেখানে সামান্য বিঘ্নই পুরো বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করতে পারে। খোলা সমুদ্রে জাহাজ বিকল্প পথ নিতে পারে, কিন্তু এখানে সে সুযোগ নেই। ফলে ইরানের জন্য লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করার প্রয়োজনও পড়ে না, তারা শুধু হামলা করতে চাইলে সেটাই যথেষ্ট।
সামরিক বিশ্লেষকরা এ পরিস্থিতিকে ‘কিল জোন’ হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে হামলার সতর্কতা সময় কয়েক সেকেন্ডের বেশি নয়। এ সীমিত চলাচলের জায়গায় যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের জন্য প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের প্রায় ১ হাজার মাইল দীর্ঘ উপকূলরেখা। যা পারস্য উপসাগরের উত্তর দিকজুড়ে বিস্তৃত। এ উপকূল বরাবর ইরান বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি-শিপ মিসাইল মোতায়েন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বল্প ও মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যেগুলোর পাল্লা ১২০ কিলোমিটার থেকে ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। উল্লেখযোগ্য মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নূর’, ‘কাদের’ ও ‘খালিজ ফার্স’। এসব মিসাইল ট্রাক-মাউন্টেড মোবাইল লঞ্চার থেকে ছোড়া যায়, যা দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম। ফলে এগুলোকে শনাক্ত ও ধ্বংস করাও অত্যন্ত কঠিন।
ইরানের উপকূলীয় ভূপ্রকৃতি এ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো জটিল করে তুলেছে। উপকূলজুড়ে রয়েছে পাহাড়, গিরিখাত, দ্বীপ ও ঘনবসতি। এ প্রাকৃতিক আড়াল ইরানকে তাদের মোবাইল মিসাইল ব্যাটারি লুকিয়ে রাখতে সহায়তা করে। স্যাটেলাইট বা ড্রোন নজরদারির ক্ষেত্রেও এসব এলাকা ‘শ্যাডো জোন’ তৈরি করে, যেখানে সরাসরি পর্যবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে এখানে ইরানের এমন একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ রয়েছে, যেখানে সামরিক সরঞ্জাম লুকিয়ে রাখা সহজ, কিন্তু সেগুলো শনাক্ত করা কঠিন। ফলে নজরদারি ও প্রতিরক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ বেশি।
যদিও যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের প্রচলিত নৌক্ষমতা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে তাদের প্রকৃত শক্তি নিহিত অপ্রচলিত অস্ত্র ভাণ্ডারে। যেমন ড্রোন, ছোট দ্রুতগামী নৌযান, বিস্ফোরক বোঝাই মানববিহীন বোট এবং সমুদ্র মাইন। এসব অস্ত্র তুলনামূলকভাবে সস্তা হলেও অত্যন্ত কার্যকর। তবে ইরানের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র সম্ভবত তাদের ‘লো-কস্ট, হাই-ইমপ্যাক্ট’ প্রযুক্তি। বিশেষ করে ড্রোন ও সমুদ্র মাইন। ইরান গত এক দশকে বিভিন্ন ধরনের ড্রোন প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ‘শাহেদ-১৩৬’ ধরনের কামিকাজে ড্রোন, যা কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে, তুলনামূলকভাবে সস্তা হলেও অত্যন্ত কার্যকর। এ ড্রোনগুলো জিপিএস-নির্ভর এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
বিশেষ করে সমুদ্র মাইন বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠেছে। একটি সাধারণ মাছ ধরার নৌকা থেকেও এসব মাইন পানিতে ফেলা সম্ভব, যা পরবর্তী সময়ে বড় ট্যাংকারের জন্য মারাত্মক বিপদ তৈরি করতে পারে। এছাড়া ইরানের কাছে রয়েছে ছোট আকারের সাবমেরিন বা ‘মিজেট সাবমেরিন’। এগুলো অগভীর পানিতে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে এবং টর্পেডো বা মাইন বহন করতে সক্ষম। বড় সাবমেরিনের তুলনায় এগুলো শনাক্ত করা কঠিন, বিশেষ করে সংকীর্ণ জলপথে।
ইরানের নৌকৌশলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ‘সোয়ার্ম ট্যাকটিকস’। এতে অসংখ্য ছোট, দ্রুতগামী নৌযান একসঙ্গে আক্রমণ চালায়। এসব নৌযানে রকেট লঞ্চার, মেশিনগান ও কখনো বিস্ফোরকও থাকে। বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য এসব ছোট লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও প্রতিহত করা কঠিন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে যখন একাধিক দিক থেকে একযোগে আক্রমণ আসে।
ইরান এরই মধ্যে অন্তত ১৯টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইরানের লক্ষ্য সবসময় জাহাজ ধ্বংস করা নয়। বরং এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা, যাতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। এ কৌশল কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। কারণ ঝুঁকি বেশি থাকলে শিপিং কোম্পানিগুলো স্বাভাবিকভাবেই সে পথ এড়িয়ে চলতে চায়। ফলে সরাসরি হামলা ছাড়াই ইরান বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে।
সব জাহাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়নি। চীন, ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু জাহাজ সীমিতভাবে চলাচল করছে। ইরান জানিয়েছে, ‘অ-শত্রুভাবাপন্ন’ জাহাজগুলো তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলাচল করতে পারবে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ চলাচলের জন্য ফি আদায়ের তথ্যও সামনে এসেছে, যেখানে একটি জাহাজ প্রায় ২০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি শুধু সামরিক নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও ইরানের জন্য লাভজনক হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ একদিকে তারা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখছে, অন্যদিকে নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্য থেকে আয়ও করছে।
এ সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বিভিন্ন কৌশল বিবেচনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্যাংকার এসকর্ট, মাইন ক্লিয়ারেন্স অপারেশন এবং আকাশপথে নজরদারি বৃদ্ধি। বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুদ্ধজাহাজ দিয়ে এসকর্ট দেয়া যথেষ্ট নয়। এছাড়া মাইন অপসারণ একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। একটি নির্দিষ্ট রুট সম্পূর্ণভাবে মাইনমুক্ত করতে কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এর মধ্যে যদি নতুন করে মাইন স্থাপন করা হয়, তবে পুরো প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে হয়। ফলে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ইরানের খার্গ দ্বীপে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যা দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রফতানির কেন্দ্র। যদিও তেল স্থাপনাগুলো এখনো অক্ষত রয়েছে, তবে সেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠবে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক শক্তি মোতায়েন করছে। মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট এবং অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ এ অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এসব ইউনিট সাধারণত উপকূলীয় অভিযান, উদ্ধার কার্যক্রম ও দ্রুত মোতায়েনযোগ্য আক্রমণে ব্যবহৃত হয়। যাকে অনেকেই স্থল অভিযানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এ সামরিক উপস্থিতিকে একটি ‘ডিটারেন্স’ বা ভয় প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে, যাতে ইরান তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। তবে বাস্তবতা হলো হরমুজ প্রণালির ভৌগোলিক ও কৌশলগত হিসাবনিকাশ এখন স্পষ্টভাবেই ইরানের পক্ষেই। সংকীর্ণ জলপথ, নির্দিষ্ট শিপিং লেন এবং বিকল্প রুটের অনুপস্থিতি এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে প্রতিপক্ষের চলাচল পূর্বনির্ধারিত ও সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে ইরান বিস্তৃত উপকূলরেখা, দ্বীপ ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির আড়াল ব্যবহার করে যেকোনো সময় আঘাত হানার সক্ষমতা ধরে রেখেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাদের চলমান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, সমুদ্র মাইন, ড্রোন এবং ছোট দ্রুতগামী নৌযানের সমন্বিত ব্যবহার, যা পুরো প্রণালিকে কার্যত একটি উচ্চঝুঁকির অঞ্চলে পরিণত করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সামরিক উপস্থিতি বাড়ালেও বাস্তবে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা কঠিন। এ প্রেক্ষাপটে হরমুজে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণের পাল্লা ইরানের দিকেই ভারী হয়ে থাকবে এবং প্রচলিত সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও এ বাস্তবতা দ্রুত বদলে ফেলা সম্ভব নয়।


