
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি আইজিপির
মার্চ ২, ২০২৬
ইরানের হামলায় এলএনজি-সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধ বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির ৪০ শতাংশ সরবরাহ করে কাতার এনার্জি
মার্চ ৩, ২০২৬ইরান কোনোভাবেই যুদ্ধ বা সংঘাতের বিস্তার চায় না। তবে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, শান্তি রক্ষার অর্থ এই নয় যে ইরান তার সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দেবে। তেহরানের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা হলেও নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার থেকে তারা পিছু হটবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, ইরান কোনোভাবেই যুদ্ধ বা সংঘাতের বিস্তার চায় না। তবে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, শান্তি রক্ষার অর্থ এই নয় যে ইরান তার সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দেবে। তেহরানের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা হলেও নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার থেকে তারা পিছু হটবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উপসাগরীয় দেশগুলো যখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার নিন্দা জানাচ্ছে, ঠিক তখনই এ মন্তব্য করলেন ইরাভানি।
এদিকে রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানে তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবিতে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা এরইমধ্যে ৫৫০ ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না করা পর্যন্ত এই সামরিক অভিযান চলবে, যা প্রায় চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, এই লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
ইরানও পাল্টা আঘাত হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম হু হু করে বাড়ছে। কাতারের রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি তাদের দুটি স্থাপনায় হামলার পর এলএনজি উৎপাদন স্থগিত করেছে এবং সৌদি আরব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করেছে। বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।
সংঘাতের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে লেবানন ও ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও। ইরান ক্রমাগত ইসরায়েলের তেল আবিব, পশ্চিম জেরুজালেম এবং ইলাত লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে, যদিও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে। অন্যদিকে লেবাননের বৈরুতে হিজবুল্লাহর ঘাঁটিতে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ৫২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।


