‘তিতাস নদীপাড়ের ৯০ শতাংশ স্থাপনাই অবৈধ’
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
নাজুক রাষ্ট্রীয় কোষাগার বিপুল বকেয়া, দুশ্চিন্তায় নতুন সরকারের অনেকেই
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
‘তিতাস নদীপাড়ের ৯০ শতাংশ স্থাপনাই অবৈধ’
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
নাজুক রাষ্ট্রীয় কোষাগার বিপুল বকেয়া, দুশ্চিন্তায় নতুন সরকারের অনেকেই
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

ইবনে সিনায় শুধু পুরুষ ও মুসলিম কর্মী নিয়োগ কেন বৈষম্যহীন নয় —হাইকোর্টের রুল

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে নির্বাহী বা জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পদে শুধু প্র্যাকটিসিং মুসলমান ও পুরুষদের আবেদন চেয়ে যে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছিল তা কেন অবৈধ হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে নির্বাহী বা জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পদে শুধু প্র্যাকটিসিং মুসলমান ও পুরুষদের আবেদন চেয়ে যে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছিল তা কেন অবৈধ হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

জনস্বার্থে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। হাইকোর্টের রুলের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তিনি।

ওই রুলে সরকারি-বেসরকারি সব কর্মস্থলে বৈষম্যহীনভাবে চাকরির নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়নের জন্য কেন আদেশ দেয়া হবে না সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গত ২৬ জানুয়ারি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি। নিয়োগটিতে নির্বাহী ও জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পদে শুধু পুরুষ ও মুসলমান ব্যক্তিদের আবেদন করতে বলা হয়েছিল। সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বৈষম্যমূলক দাবি করে জনস্বার্থে রিট করেন আইনজীবী অনামিকা নাহরিন।

আইনজীবীরা জানান, রুলে দেশে লিঙ্গ ও ধর্ম ব্যতিরেকে বৈষম্যহীন নিয়োগনীতি কেন লঙ্ঘন হয়েছে বলে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে সরকারের সংশ্লিষ্ট ও ইবনে সিনা কর্তৃপক্ষের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রুলের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী আদেশ সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে—১. ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তদন্ত করে বৈষম্যমূলক শর্তগুলো প্রত্যাহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিতে; ২. সব রকম বৈষম্যহীন নিয়োগের জন্য নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে এবং ৩. এ বিষয়ে কী কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তিন মাসের মধ্য আদালতে সে বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *