
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে জলাতঙ্ক আক্রান্তের হার বেড়েছে চার গুণ
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫
শাহজালাল বিমানবন্দরের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় যুক্ত হলো বডি ক্যামেরা
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে প্রার্থীদের অস্ত্র বহনের অনুমতি এবং তা নির্বাচনী আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা—এমন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আপাতত এ নির্দেশনার সঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধির কোনো সংঘাত দেখা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে কমিশন যেকোনো সময় কঠোর অবস্থান নিতে পারে। সময়ের প্রয়োজনে যদি আচরণবিধিতে কোনো সংশোধন, সংযোজন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, কমিশন তা অবশ্যই করবে।’ গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা (অব.) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সম্প্রতি জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রার্থীরা চাইলে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাবেন এবং যারা অস্ত্র জমা দিয়েছেন, তারা তা ফেরতও পেতে পারেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, ‘প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয় যে নির্দেশনা বা অস্ত্রের ব্যবস্থার কথা বলেছেন, তা তিনি হয়তো নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনা করেই বলেছেন। তবে এ বিষয়ে আগে থেকে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তাই এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রেক্ষাপট উপদেষ্টা মহোদয়ই ভালো দিতে পারবেন।’
ভোটের আগে বৈধ অস্ত্র জমা নেয়ার বিধির প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ‘এটা তো সময়ের ব্যাপার। বৈধ অস্ত্র জমা নেয়ার বিষয়টা যখন প্রাসঙ্গিক হবে তখন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
নির্বাচনের আগে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কমিশনের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সাধারণত ভোটগ্রহণের একটি নির্দিষ্ট সময় আগে করা হয়। বিষয়টি যখন প্রাসঙ্গিক হবে, তখন কমিশন আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে ভোটার বা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবারই কাম্য। নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে কেন ভীতি সঞ্চার হবে—সেটি একটি প্রশ্ন। আমরা চাইব ভোটার ও প্রার্থী সবার নিরাপত্তাই যেন প্রাধান্য পায়।’


