ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ ইসির
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে জলাতঙ্ক আক্রান্তের হার বেড়েছে চার গুণ
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫
ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ ইসির
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে জলাতঙ্ক আক্রান্তের হার বেড়েছে চার গুণ
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫

পাচারের অর্থ পুনরুদ্ধারে দেশ-বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। গতকাল অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের লক্ষ্যে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত ১১টি কেসের জন্য গঠিত যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দলের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লিখিত অগ্রাধিকার কেসের ক্ষেত্রে এরই মধ্যে ১০৪টি মামলা করা হয়েছে, ১৪টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং চারটিতে রায় দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দেশে মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, বিদেশে মোট ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ সর্বমোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ সংযুক্ত এবং অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

১১টি অগ্রাধিকার কেসের জন্য ২১টি এমএলএআর সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। সভায় অগ্রাধিকার কেসগুলোয় যত দ্রুত সম্ভব চার্জশিট দাখিল, সংশ্লিষ্ট দেশে এমএলএআর পাঠানো এবং মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়।

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পরিপালনে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়নে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিংয়ের (এপিজি) মাধ্যমে ২০২৭-২৮ মেয়াদে চতুর্থ পর্বের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন সম্পন্ন হবে। এছাড়া সভায় মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থাকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *