লাইনের ওপর ড্রোন পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল
নভেম্বর ২২, ২০২৫
পুরোনো জাহেলি যুগ আর ফিরে আসবে না: ধর্ম উপদেষ্টা
নভেম্বর ২২, ২০২৫
লাইনের ওপর ড্রোন পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল
নভেম্বর ২২, ২০২৫
পুরোনো জাহেলি যুগ আর ফিরে আসবে না: ধর্ম উপদেষ্টা
নভেম্বর ২২, ২০২৫

শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিব কখনো গণতন্ত্রের পক্ষে ছিলো না: সালাহউদ্দিন

কোনো দল নয়, প্রধান উপদেষ্টা আহ্বান জানালে সাড়া দেবে বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ফ্যসিস্ট হাসিনা এবং শেখ মুজিবুর রহমান কখনোই এ দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে কোনো ভূমিকা রাখেননি। মুজিবুর রহমান বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একদলীয় নায়কতন্ত্র কায়েম করতে চেয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সেই বাকশালেরই প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে—শেখ হাসিনা এ দেশের মানুষের প্রতিনিধি নন; তিনি যে দেশের মানুষ ছিলেন, এখন সেই দেশেই চলে গেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরা শহীদ মীর মুগ্ধ মঞ্চে আলোচনা সভায় বলেন, খুনি হাসিনার বাকশালী শাসনের বিরুদ্ধে ২৪ শে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়েছে,কেউ কেউ বলেন—এই আন্দোলন মাত্র ৩৬ দিনে সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আসলে বুঝতে হবে, এই ৩৬ দিনের সংগ্রামের জন্য আমাদের ৩৬টি রক্তের সিঁড়ি পারি দিতে হয়েছে। এই গণআন্দোলন শুরু হয়েছে ২০০৯ সাল থেকেই। বিএনপি-সহ সব রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং সর্বস্তরের মানুষ মিলেই এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। তাদের সম্মিলিত শক্তির মাধ্যমেই শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, গুম কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৮৫০ জনের নাম এসেছে। তাদের প্রত্যেকে যদি মামলা করেন, তাহলে শেখ হাসিনার শত শতবার ফাঁসি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমরা দেখেছি—যারা গুমের শিকার হয়েছেন, খুন হয়েছেন, রাজনৈতিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন—তাদের রক্তের বিনিময়ে এই সিঁড়ি তৈরি হয়েছে। আমি নিজেও গুমের শিকার হয়েছি; আমাকে এক রাতের মধ্যে বিদেশে নিয়ে ফেলে আসা হয়েছিল।

শেখ হাসিনা একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই এসব নির্যাতন চালিয়েছেন। যারা ৩৬ দিনের জুলাই আন্দোলন সংগঠিত করেছেন, তাদের বলতে চাই—যারা এই আন্দোলন এবং রাজনীতিকে ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে চান, তাদের এ পথে না চলার জন্য অনুরোধ করছি। শেখ হাসিনা যেভাবে মুক্তিযুদ্ধকে বিক্রি করতে করতে এই জায়গায় পৌঁছেছেন—আপনারা যেন সেই পথে না যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *