
ইলিশ রফতানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আবেদন ভারতীয় আমদানিকারকদের
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি, খুলে দেয়া হয়েছে ১৬টি জলকপাট
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আপাতত শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার সিংগীজানী গ্রামের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গতকাল সকালে বিদ্যালয়টির অবশিষ্ট অংশটুকুও মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে চলে যায়। এতে বিদ্যালয়টির কোনো অস্তিত্ব আর অবশিষ্ট নেই।
এর আগে গত ১৮ আগস্ট তিস্তার ভাঙনে বিদ্যালয়ের দুটি সেমিপাকা টিনশেড ভবনের একটির পুরো অংশ এবং অন্যটির অর্ধেক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অবশিষ্ট অংশ রক্ষার চেষ্টা করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুর রহমান মণ্ডল জানান, ১৯৯২ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের দুটি সেমিপাকা টিনশেড ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বিদ্যালয়টি তিস্তার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। সামান্য কিছু আসবাবপত্র রক্ষা করা গেলেও অধিকাংশ মালামাল নদীগর্ভে চলে গেছে। দ্রুত ভ্রাম্যমাণ বা বিকল্প ব্যবস্থায় পাঠদান কার্যক্রম চালু করা না গেলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়টির পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা করা না হলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আপাতত শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। দ্রুত বিকল্পভাবে পাঠদানের ব্যবস্থা করা না হলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে। গত এক সপ্তাহে তিস্তার ভাঙনে বিদ্যালয়সহ প্রায় দেড়শ বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
ভাঙনের তীব্রতার মুখে এ মুহূর্তে কিছু করা সম্ভব নয় জানিয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) জিও ব্যাগ ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা করা হবে।’


