সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
আগস্ট ১০, ২০২৬
সাতক্ষীরায় আমদানি বাড়লেও কমেনি শুকনো মরিচের দাম
আগস্ট ১০, ২০২৬
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
আগস্ট ১০, ২০২৬
সাতক্ষীরায় আমদানি বাড়লেও কমেনি শুকনো মরিচের দাম
আগস্ট ১০, ২০২৬

এসডিজির অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তরুণ নারী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তরুণ নারীদের কণ্ঠ, চিন্তা ও নেতৃত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

গতকাল ‘এনহ্যান্সিং উইমেনস পলিটিক্যাল লিডারশিপ থ্রু এসডিজি ফাইভ অ্যান্ড এসডিজি সিক্সটিন লোকালাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের জাতীয় প্রচার ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তরুণ অংশগ্রহণকারীদের অর্জনের প্রশংসা করে এবং ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘তরুণ নারীদের নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ তৈরি হলে তারা শুধু নিজেদের সম্প্রদায়কেই শক্তিশালী করে না, দেশের ভবিষ্যৎকেও শক্তিশালী করে। আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তাদের কণ্ঠ, চিন্তা ও নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

জাতিসংঘের বাংলাদেশ কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসডিজির সহায়তায় যৌথভাবে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের এক হাজারের বেশি কিশোরী ও তরুণীকে নেতৃত্ব এবং নিজ নিজ সমাজে পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ‘শি লিডস টুমরো’ শীর্ষক কফি টেবিল বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। একই সঙ্গে বইটির আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়। এতে প্রকল্পের মাধ্যমে জীবনে পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা অর্জন করা কিশোরী ও তরুণীদের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ১২ মাসব্যাপী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। সরকারি স্কুল, মাদরাসা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর এক হাজারের বেশি কিশোরী ও তরুণী এতে অংশ নেয়। নেতৃত্ব বিকাশ, মেন্টরশিপ, নাগরিক শিক্ষা, নীতি সংলাপ ও অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে তাদের নেতৃত্বের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নাগরিক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ অপরিহার্য। আজকের তরুণ নারীদের নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা তৈরি করা মানেই আগামী দিনের জন্য আরো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’

সম্মানিত অতিথি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক এসএম আব্দুল আওয়াল স্থানীয় পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘এসডিজি স্থানীয়করণ হলো জাতীয় অঙ্গীকারকে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থবহ কার্যক্রমে রূপ দেয়া। এ যাত্রায় তরুণ নারীদের সক্রিয় অংশীদার হতে হবে এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এমন সিদ্ধান্ত ও সমাধান তৈরির প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকা রাখতে হবে।’

বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রযাত্রায় কাউকে পিছিয়ে না রাখার জন্য সমন্বিত উদ্যোগের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউএনওপিএস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন। শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ব্যবস্থা এবং সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে তরুণ নারীদের নেতৃত্বে বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *