কোরবানির হাটে অবিক্রীত ঢাকাফেরত গরুর রোগ ও ঋণের ভারে সংকটে ঝিনাইদহের খামারিরা
জুলাই ৯, ২০২৬
যুদ্ধবিরতি শেষ জানিয়ে আবারো ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
জুলাই ৯, ২০২৬
কোরবানির হাটে অবিক্রীত ঢাকাফেরত গরুর রোগ ও ঋণের ভারে সংকটে ঝিনাইদহের খামারিরা
জুলাই ৯, ২০২৬
যুদ্ধবিরতি শেষ জানিয়ে আবারো ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
জুলাই ৯, ২০২৬

বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় মাল্টিপারপাস আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করবে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী

দেশের অধিক বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় বজ্র নিরোধক ব্যবস্থাসংবলিত মাল্টিপারপাস আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

গতকাল জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০-এর সরকারি দলের সদস্য আরিফা সুলতানার কার্যপ্রণালি বিধির ৭১-এর আওতায় উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিসের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে বজ্রপাত একটি ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। সরকার এরই মধ্যে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রকল্প গ্রহণ, আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, প্রতি বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী বজ্রপাতবিষয়ক জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে লিফলেট বিতরণ এবং শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘দেশের অধিক বজ্রপাতপ্রবণ ১৫টি জেলায় “‍বজ্রপাতের ফলে প্রাণহানি রোধে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ”, “‍কৃষক ছাউনি” ও “‍বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আওতায় চলনবিল অঞ্চলের বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ ও হাওর এলাকাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘হাওর এলাকায় ধান কাটার সময় কৃষক এবং বর্ষাকালে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা বজ্রপাতে নিহত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ও বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের আদলে বজ্রপাতের জন্যও মাল্টিপারপাস আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে বজ্র নিরোধক দণ্ড ও সতর্কীকরণ অ্যালার্ম থাকবে। আকাশে বজ্রসহ ঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিলে কৃষক ও জেলেরা সেখানে নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও হাওর অঞ্চলে এর প্রকোপ বেশি। চলনবিলসহ দেশের সব অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনগণের জীবন-জীবিকা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রকল্প অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বজ্রপাতজনিত প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।’

তিনি আরো জানান, বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির পরিবারকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতে গবাদিপশুর মৃত্যু হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *