মমতার শাসনামলের গল্প নিয়ে ‘হীরক রানীর দেশে’, অভিনয়ে জয়াপ্রদা
জুন ১০, ২০২৬
বৃষ্টির কান্না শুনে কাউকে মনে পড়ে কেন?
জুলাই ১০, ২০২৬
মমতার শাসনামলের গল্প নিয়ে ‘হীরক রানীর দেশে’, অভিনয়ে জয়াপ্রদা
জুন ১০, ২০২৬
বৃষ্টির কান্না শুনে কাউকে মনে পড়ে কেন?
জুলাই ১০, ২০২৬

দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে বলিউডে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’র

ছবিটি ঘিরে এমন এক ঘটনা দেখা যাচ্ছে, যা বলিউড অনেকদিন দেখা যায়নি। হ্যাঁ, অনেক ছবিই ধীরগতিতে শুরু করে পরে ঘুরে দাঁড়ায়। তবে সাধারণত সেই পরিবর্তন শুরু হয় প্রথম শনিবার থেকেই

ইমতিয়াজ আলীর ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ সীমিত দর্শক নিয়ে শুরু করেছিল প্রথম সপ্তাহ। সিনেমাটির প্রশংসা করে বক্স অফিস ফলাফল নিয়ে অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেন। তবে দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে গতি অনেকটাই ফিরেছে।

বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুসারে, ছবিটি ঘিরে এমন এক ঘটনা দেখা যাচ্ছে, যা বলিউড অনেকদিন দেখা যায়নি। হ্যাঁ, অনেক ছবিই ধীরগতিতে শুরু করে পরে ঘুরে দাঁড়ায়। তবে সাধারণত সেই পরিবর্তন শুরু হয় প্রথম শনিবার থেকেই।

এ ধরনের যাত্রাপথ অনুসরণ করা ছবির মধ্যে সামনে আসে কঙ্গনা রনৌতের ‘কুইন’, যা প্রথম দিনের আয়ের প্রায় ৩৫ গুণ ব্যবসা করেছিল দ্বিতীয়। ছবিটি প্রথম দিনে ১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় করে শেষ পর্যন্ত ৬১ কোটি রুপি সংগ্রহ করেছিল এবং কাল্ট মর্যাদা অর্জন করে।

তবে ‘কুইন’-এর ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ানোর ঘটনা দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়নি। বরং দ্বিতীয় দিনেই আয় ১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি থেকে বেড়ে ৩ কোটি রুপিতে পৌঁছেছিল। ফলে ছবিটির চূড়ান্ত আয় ছিল চমকপ্রদ, কিন্তু বিস্ময়কর নয়; কারণ মুখে মুখে প্রচার খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল।

কিন্তু ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’র ক্ষেত্রে যা দেখা যাচ্ছে, তা অনেকটা সেই গল্পগুলোর মতো, যেগুলো প্রায়ই পডকাস্টে শোনা যায়—সত্তরের দশকের কিছু ছবি দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করত। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি মারাঠি ও গুজরাটি ছবির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখা গেছে।

ইমতিয়াজ আলী পরিচালিত এ ছবির প্রথম দিনের আয় ছিল হতাশাজনকভাবে ১ কোটি ২৮ লাখ রুপি। দ্বিতীয় দিনে তা বেড়ে হয় ১ কোটি ৮৫ লাখ রুপি, আর তৃতীয় দিনে আয় দাঁড়ায় সাধারণ মানের আড়াই কোটি রুপিতে।

শুধু সপ্তম দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবারে এসে বিশেষ কিছু ঘটার আভাস পাওয়া যায়। সেদিন ছবিটির আয় বেড়ে ২ কোটি ২৮ লাখ রুপিতে পৌঁছায়, যা প্রায় রবিবারের আয়ের সমান ছিল। এতে পরিবেশক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকদের আস্থা বাড়ে। ফলে বড় বাজেটের ছবি ‘ককটেল ২’ মুক্তি পেলেও ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’র জন্য ভালো সংখ্যক পর্দা ও শো রাখা হয়।

এর ফলও পাওয়া যায় দ্রুত। দ্বিতীয় শুক্রবারে ছবিটির আয় স্থিতিশীল থেকে ২ কোটি রুপি হয়। এরপর দ্বিতীয় শনিবারে আয় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ৪ কোটি ৪৫ লাখ রুপিতে পৌঁছে যায়।

এটাই এখন পর্যন্ত ছবিটির মুক্তিকালীন যাত্রার সর্বোচ্চ একদিনের আয়। প্রাথমিক ইঙ্গিত বলছে, দ্বিতীয় রবিবারে ছবিটি ৬ কোটি রুপির ঘরও স্পর্শ করতে পারে।

তুলনামূলকভাবে, ‘কুইন’ দ্বিতীয় রবিবারে ৪ কোটি ৮৫ লাখ রুপি আয় করেছিল, যা ছিল পুরো প্রদর্শনকালীন সময়ের সর্বোচ্চ একদিনের সংগ্রহ। ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ এখন নিজেকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছে। সামনে এর লক্ষ্য হবে কর্মদিবসগুলোয় ২-৩ কোটি রুপি আয় ধরে রাখা। বর্তমানে ছবিটির মোট আয় ১৮ কোটি ৯১ লাখ রুপিতে দাঁড়িয়েছে।

এখনো অনেক পথ বাকি, তবে অন্তত সঠিক দিকেই এগোচ্ছে ছবিটি— এমনটাই বলছেন ভারতীয় সিনেমার বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *