ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক নিহত
মে ১৫, ২০২৬
৫০০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহাসিক খনিয়াদিঘি মসজিদ
মে ১৫, ২০২৬
ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক নিহত
মে ১৫, ২০২৬
৫০০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহাসিক খনিয়াদিঘি মসজিদ
মে ১৫, ২০২৬

রংপুরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল

প্রশাসনিক অনুমোদনের ৮ মাস পরও কাটেনি অনিশ্চয়তা

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রশাসনিক অনুমোদন পায় রংপুরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল।

ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রায় আট মাস আগে প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও জনবল কাঠামো ও যন্ত্রপাতি সংকটে হাসপাতালটির সেবা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরিফউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত পত্রে হাসপাতালটির প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়। সেই সময় হাসপাতালটি চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জনবল, আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতির প্রস্তাব চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে গত বছরের ৪ নভেম্বর প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতির বিস্তারিত তালিকা স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে পাঠায়। কিন্তু দীর্ঘ আট মাস অতিবাহিত হলেও সে প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

রংপুর নগরীর সাবেক সদর হাসপাতালের প্রায় দুই একর জমিতে আধুনিক এ শিশু হাসপাতালের বিশাল অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৩১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ব্যয়ে তিন তলাবিশিষ্ট মূল হাসপাতাল ভবন (ছয় তলা ভিত্তি), চার তলার সুপারিনটেনডেন্ট কোয়ার্টার, ছয় তলার ডক্টরস কোয়ার্টার এবং স্টাফ ও নার্স কোয়ার্টারসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রস্তুত রয়েছে। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ করেছিল। করোনাকালে ভবনটি ‘ডেডিকেটেড হাসপাতাল’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল হিসেবে এর যাত্রা আজও শুরু হয়নি।

প্রায় ছয় বছর আগে নির্মিত শিশু হাসপাতালটি দেশের অন্যান্য শিশু হাসপাতালের চেয়ে এগিয়ে থেকেও চালু না হওয়া দুঃখজনক। এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘সমাজ পরিবর্তন ও উন্নয়ন ফোরাম’-এর সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলু বলেন, ‘রংপুর বিভাগে শিশুদের বিশেষায়িত চিকিৎসার ব্যাপক অভাব রয়েছে। বর্তমানে হামসহ বিভিন্ন মৌসুমি রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় হাসপাতালটি চালু থাকলে প্রান্তিক মানুষ উপকৃত হতো। হাসপাতালটি দ্রুত কার্যকর করতে হলে প্রথমেই একজন তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিনটেনডেন্ট) নিয়োগ দেয়া জরুরি, যিনি সার্বক্ষণিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘শিশু হাসপাতাল চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন অনেক আগে হয়েছে। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছিল তাও প্রেরণ করা হয়েছে। সম্প্রতি সরকার নতুন করে কিছু তথ্য চেয়েছে যা দ্রুত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *