হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৮ শিশুর মৃত্যু
মে ১৩, ২০২৬
দুদিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
মে ১৩, ২০২৬
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৮ শিশুর মৃত্যু
মে ১৩, ২০২৬
দুদিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
মে ১৩, ২০২৬

চোরাচালান বাড়ার আশঙ্কা ভারতে স্বর্ণ-রৌপ্য আমদানিতে শুল্ক বেড়ে ১৫ শতাংশ

শিল্পখাতের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, আমদানি কর বাড়ানোর ফলে আবারো স্বর্ণ চোরাচালান বেড়ে যেতে পারে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে ভারত শুল্ক কমানোর পর চোরাচালান কিছুটা কমেছিল

স্বর্ণ ও রৌপ্যের আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছে ভারত। আজ এক সরকারী আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। মূল্যবান ধাতু আমদানি হ্রাস এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে স্বর্ণ চোরাচালান বাড়ার আশঙ্কা নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন শিল্পেসংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স।

বাড়তি এ শুল্ক বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মূল্যবান ধাতু ভোক্তা দেশ ভারতে চাহিদা কমিয়ে দিতে পারে। তবে এর ফলে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে পারে এবং এশিয়ার দুর্বল পারফর্ম করা মুদ্রাগুলোর অন্যতম রুপি কিছুটা সহায়তা পেতে পারে।

শিল্পখাতের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, আমদানি কর বাড়ানোর ফলে আবারো স্বর্ণ চোরাচালান বেড়ে যেতে পারে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে ভারত শুল্ক কমানোর পর চোরাচালান কিছুটা কমেছিল।

ভারত সরকার স্বর্ণ ও রৌপ্য আমদানিতে ১০ শতাংশ বেসিক কাস্টমস ডিউটি এবং ৫ শতাংশ এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্টাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেস (এআইডিসি) আরোপ করেছে। ফলে কার্যকর আমদানি কর ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের ন্যাশনাল সেক্রেটারি সুরেন্দ্র মেহতা বলেন, ‘চলতি হিসাবের ঘাটতি প্রত্যাশামাফিক নিয়ন্ত্রণে শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। তবে এতে চাহিদা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম আগেই অনেক বেশি ছিল।’

এর আগে রোববার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় জনগণকে এক বছর স্বর্ণ কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। ভারত চাহিদার প্রায় পুরো স্বর্ণই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে।

সাম্প্রতিক সময়ে দামের উল্লম্ফন এবং গত এক বছরে শেয়ারবাজারে নেতিবাচক রিটার্নের কারণে ভারতে বিশেষ করে বিনিয়োগমূলক স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল গত মাসে জানিয়েছে, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ভারতের স্বর্ণভিত্তিক এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় ১৮৬ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ২০ টনে পৌঁছেছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় স্বর্ণ আমদানি কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। এর অংশ হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য আমদানিতে ৩ শতাংশ সমন্বিত পণ্য ও সেবা কর (আইজিএসটি) আরোপ করে সরকার, যার ফলে ব্যাংকগুলো এক মাসের বেশি সময় আমদানি বন্ধ রেখেছিল।

এর প্রভাবে এপ্রিল মাসে আমদানি প্রায় ৩০ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। পরে ব্যাংকগুলো ৩ শতাংশ আইজিএসটি পরিশোধ করে আবার আমদানি শুরু করে। এখন বুলিয়ন ব্যবসায়ীরা বলছেন নতুন শুল্ক বৃদ্ধির ফলে আমদানি আবারো কমে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *