ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় অস্থির স্বর্ণের বাজার, এশিয়ায় কমছে গহনার চাহিদা
মার্চ ২৯, ২০২৬
ব্যাংক এশিয়ার কাছে ৫৮০ কোটি টাকায় ব্যবসা বিক্রি করছে ব্যাংক আলফালাহ্‌
মার্চ ২৯, ২০২৬
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় অস্থির স্বর্ণের বাজার, এশিয়ায় কমছে গহনার চাহিদা
মার্চ ২৯, ২০২৬
ব্যাংক এশিয়ার কাছে ৫৮০ কোটি টাকায় ব্যবসা বিক্রি করছে ব্যাংক আলফালাহ্‌
মার্চ ২৯, ২০২৬

সিটি ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন

সিটি ব্যাংক পিএলসির গত সপ্তাহের দুই কার্যদিবসে মোট ২৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির দর ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৩১ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৩১ টাকা ৮০ পয়সা।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সিটি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২ টাকা ৯৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৯ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৩৯ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪২ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ২১ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক ও সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছিল ৪ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৭ টাকা ২৭ পয়সায়।

সিটি ব্যাংকের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫২১ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৯৬১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫২ কোটি ১২ লাখ ২২ হাজার ৬৯। এর ৩০ দশমিক ৩৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৭৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৫ দশমিক শূন্য ৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *