দেবিদ্বারে নিজ গ্রামের ভোটকেন্দ্রেই ভোট দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজবাড়ীতে ড্রোনের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্র মনিটরিং করা হবে
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেবিদ্বারে নিজ গ্রামের ভোটকেন্দ্রেই ভোট দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজবাড়ীতে ড্রোনের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্র মনিটরিং করা হবে
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন‍্য আমাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে: আসিফ আকবর

দেশের সংগীতাঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, অডিও যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী সম্রাট আসিফ আকবর, যিনি এক সময় একের পর এক হিট গানে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন দেশজুড়ে— তিনি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। তবে এবার গান নয়, রাজনীতির মঞ্চে তার উচ্চারিত মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন আলোচনার ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমসাময়িক ইস্যুতে সরব এই শিল্পী এবার সরাসরি কথা বলেছেন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, সতেরো বছর পর দেশে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৮ লাখ ভোটার প্রত‍্যক্ষ ভোটে সংসদে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। দেশের সব দায়িত্বশীল বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রে কাজ করবে।

সব রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরাও চান একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ‍্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রোপাগান্ডা, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, গুজব, নানান আশঙ্কার নাগপাশ ছিঁড়ে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জন‍্য যথেষ্ট অর্থপূর্ণ এবং গুরুত্ববহ।

জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার বিজয়কে সুসংহত করা এবং টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন‍্য আমাদের ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, সেখানে পছন্দের প্রার্থীকে নিজের ভোট প্রদান করে নাগরিক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হতে হবে। অলসতা এবং অবহেলার মানসিকতা না রেখে প্লীজ সবাই ভোট কেন্দ্রে আসুন।

ভোটের মাধ‍্যমে জনতার শক্তি দেখানোর এখনই সময়। দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমিও ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করব। পাহাড়ি মানুষ, সমতলবাসী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আসুন সবাই মিলে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেই এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথকে ত্বরান্বিত করি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬, সফল হোক, স্বার্থক হোক। ভালোবাসা অবিরাম।
এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। প্রচার-প্রচারণা শেষ, এখন অপেক্ষা কেবল রায়ের। নাগরিকদের প্রত্যাশা— শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে তারা প্রয়োগ করতে পারবেন তাদের ভোটাধিকার।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে এই উৎসবমুখর আমেজই প্রমাণ করে, গণতন্ত্রের এ উৎসবে অংশ নিতে প্রস্তুত দেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *