
অস্ত্রসহ গ্রেফতার
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬
প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান রুমিন ফারহানার
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬চাঁদপুরে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে গত কয়েক বছর বড় ইলিশ খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না।
চাঁদপুরে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে গত কয়েক বছর বড় ইলিশ খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। ছোট ইলিশই ধরা পড়ছে বেশি। গত এক সপ্তাহ ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ টাকা।
মৎস্য গবেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রাণিজগতের জৈবিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাপমাত্রার কারণে মাছের আকারেও পরিবর্তন আসে। পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে মাছের এ পরিবর্তন দেখা দেয়। তবে ইলিশ আকারে ছোট হলেও পরিপূর্ণতা রয়েছে।
গতকাল সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিণা মাছ ঘাটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। এর আগে বেশির ভাগ সময় অলস সময় কাটাতে হয়েছে তাদের।
আড়তের ব্যবসায়ী শহীদ উল্যাহ জানান, তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলেদের ধরে আনা ছোট ইলিশ থেকে বাছাই করে কয়েকটি বড় ইলিশ সংরক্ষণ করেছেন। যার ওজন ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি। এসব ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি করেছেন ৩০০০-৩২০০ টাকা।
পাইকারি ইলিশ বিক্রেতা কালু হাওলাদার বলেন, ‘জেলেরা বড় ইলিশ কম পাচ্ছেন। ৬-৮টায় এক কেজি হয়—এমন ইলিশই বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এসব ইলিশ প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা। ৬০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০-১২০০ টাকা।’
শহর থেকে আড়তে মাছ কিনতে এসেছেন আবদুল বারেক ও জসিম উদ্দিন। তারা বলেন, ‘এই ঘাটে তাজা ইলিশ পাওয়া যায়। তবে দাম বেশি হওয়ার কারণে বড় ইলিশ কেনার সাধ্য নেই।’
ঘাটের প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী হারুনুর রশিদ খান বলেন, ‘নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার কমেনি। বছরের দুটি সময় অর্থাৎ জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণের সময় অভিযান কঠোর হওয়া দরকার। জাটকা সংরক্ষণ না হওয়ায় ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। যে কারণে নদীর ইলিশ আকারে খুবই ছোট।’
অবশ্য চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ‘জাটকাসহ ছোট মাছ ধ্বংসকারী নিষিদ্ধ জাল প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’


