হ্যাঁ ভোটের প্রচার ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ‘সুজন’ পেয়েছে আড়াই কোটি টাকা
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
আদালতের আদেশে ৫ মনোনয়ন গ্রহণ ও ৯ জনকে প্রতীক বরাদ্দের অনুমতি
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
হ্যাঁ ভোটের প্রচার ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ‘সুজন’ পেয়েছে আড়াই কোটি টাকা
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
আদালতের আদেশে ৫ মনোনয়ন গ্রহণ ও ৯ জনকে প্রতীক বরাদ্দের অনুমতি
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রা শুরু

‘আমরা আগামীকাল (সোমবার) শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে আমাদের নির্বাচনী জনসংযোগ শুরু করব। আমাদের প্রচারণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব। সে সঙ্গে গণভোটে হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করার জন্য আমরা প্রচারণা করব।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে দশ দিনব্যাপী নির্বাচনী সফর করা হবে। আমাদের প্রার্থীদের আসন এবং যে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোয় এনসিপি শক্তিশালী সেখানে পথসভা করব।

রোববার দিবাগত রাতে বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্বাচনী পদযাত্রার শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ত্রিশ আসনে এনসিপি প্রার্থী দিয়েছে। এগারো দলীয় জোটের পক্ষে আমরা ত্রিশ আসনে নির্বাচন করছি। আমরা আগামীকাল (সোমবার) শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে আমাদের নির্বাচনী জনসংযোগ শুরু করব। আমাদের প্রচারণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব। সে সঙ্গে গণভোটে হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত করার জন্য আমরা প্রচারণা করব। আমরা কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই এবং আমাদের ইশতেহারের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করা হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ইশতেহার প্রকাশ করব।

নির্বাচনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা শঙ্কা করছি প্রভাব বিস্তারের। আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আগে ক্ষমতাসীনরা ৪০/৫০ জন আইনজীবী পাঠিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতো। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখছি বিভিন্ন আসনের প্রান্তিক এলাকা থেকে মানুষ নিয়ে এসে মব ক্রিয়েট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচন যাতে করতে না দেয়া হয়, সেই বিষয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি।

আসিফ মাহমুদ আরো বলেন, আমরা আশা করেছিলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দলের দলীয় প্যাডে বিভিন্ন পত্রিকা এবং টেলিভিশনের সাংবাদিকদের নাম আসছে। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য দলীয় প্যাডে নাম আশা আশঙ্কাজনক। বিজ্ঞাপনের মোড়কে একটি দলের প্রচারণা চলছে। এইখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকার আশঙ্কা করছি। যদি মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন আকারে দলীয় প্রচারণা করার সুযোগ থাকে, তাহলে শাপলা কলি ও দাঁড়িপাল্লাসহ সকল দলকে সুযোগ দেয়া হোক।

সাবেক এই সমন্বয়ক আরো বলেন, আমরা এই পদযাত্রার মাধ্যমে জোটের সকল দলের প্রার্থীদের পক্ষেই কাজ করব। আমরা একসঙ্গে একদিকে না গিয়ে বিভিন্ন দিকে আমাদের ভয়েস ছড়িয়ে দেয়ার চিন্তা করেছি। আমরা আমাদের দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি জোটের প্রার্থীদেরও প্রচারণা করব।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

d

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *