ফরিদপুর জিলা স্কুলে হামলায় পণ্ড জেমসের কনসার্ট
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
লেন‌দেন কমেছে ৭ শতাংশের বেশি পুঁজিবাজারে অধিকাংশ খাতের শেয়ারে ইতিবাচক রিটার্ন
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
ফরিদপুর জিলা স্কুলে হামলায় পণ্ড জেমসের কনসার্ট
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
লেন‌দেন কমেছে ৭ শতাংশের বেশি পুঁজিবাজারে অধিকাংশ খাতের শেয়ারে ইতিবাচক রিটার্ন
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে হাসপাতাল ও বসতঘর

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে দাতব্য সংস্থা পরিচালিত একটি হাসপাতাল আগুনে পুড়ে গেছে। গতকাল ভোরে মধুরছড়া আশ্রয় শিবিরের (ক্যাম্প-৪) ডি-২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অগ্নিকাণ্ডে কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বি-ব্লকের পাঁচটি বসতঘর পুড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও ব্লকের বাসিন্দাদের প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও হাসপাতালটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুড়ে গেছে মূল্যবান চিকিৎসাসামগ্রী।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার থেকে নতুন করে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটলে ওবাট হেলথ পোস্ট নামে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য সংস্থা ওবাট হেলপারস ইউএসএ। বর্তমানে হিউম্যান ইন্টারন্যাশনাল ইউএসএ নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদানে ওবাট হেলপারস বাংলাদেশ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি ক্যাম্প প্রশাসনের সহায়তায় পরিচালনা করছে।

ওবাটের হেলথ কো-অর্ডিনেটর ডা. মাহামুদুল হাসান সিদ্দিকী রাশেদ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে পুরো হাসপাতালটি পুড়ে গেছে। কীভাবে আগুন লেগেছে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। হেলথ পোস্ট থেকে আশপাশের রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হতো।’

মালয়েশিয়া হাসপাতাল নামে রোহিঙ্গাদের মাঝে ব্যাপক পরিচিত এ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের এমন পরিণতিতে আশাহত হয়েছেন আশ্রিত অনেক রোহিঙ্গা।

মোহাম্মদ রফিক নামে ব্লকের এক রোহিঙ্গা বলেন, ‘হাসপাতালটি ক্যাম্পের আশ্রয়জীবনে আমার পরিবারের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছিল। পুড়ে গেছে দেখে খারাপ লাগছে, কারণ এখান থেকে আমরা নিয়মিত চিকিৎসা নিতাম।’

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে গেছে পাঁচটি ঘর। আশ্রয়শিবিরের ঘরগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি লাগানো। বাঁশ ও ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে এসব ঘর তৈরি করা হয়েছে। একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে পরে তা আরো চারটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও অনেকবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোহিঙ্গা নেতারা জানান, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে অগ্নিকাণ্ডে এক হাজারের বেশি বসতি পুড়েছে। এ ঘটনায় একজনের মৃত্যুও হয়। গত সাত বছরে আশ্রয়শিবিরে আগুন লেগেছে অন্তত ২০০ বার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *