ভারতের ইঙ্গিতে তারেক রহমান দেশে আসছেন না, এটা ভাবার কারণ নেই: মির্জা ফখরুল
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বাবাকে মারধরের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
ভারতের ইঙ্গিতে তারেক রহমান দেশে আসছেন না, এটা ভাবার কারণ নেই: মির্জা ফখরুল
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বাবাকে মারধরের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে
ডিসেম্বর ১০, ২০২৫

বিদেশে নবায়নযোগ্য প্রযুক্তিতে বড় বিনিয়োগ চীনা সংস্থাগুলোর

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি (ক্লিন এনার্জি) খাতে বিশ্বব্যাপী চীনা কোম্পানিগুলোর আধিপত্য বাড়ছে।

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি (ক্লিন এনার্জি) খাতে বিশ্বব্যাপী চীনা কোম্পানিগুলোর আধিপত্য বাড়ছে। বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতিও এর আওতায় রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট এনার্জি ফাইন্যান্স (সিইএফ) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে চীনা সংস্থাগুলো বিভিন্ন দেশে পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে ৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে। খবর আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন ও অবকাঠামো খাতে বৈশ্বিক প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে চীনের অবস্থান। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের একই সময়কালে ২৬টি দেশে নতুন প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে চীনা কোম্পানিগুলো। এতে তারা ৮ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে বলে জানিয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এখনো সৌর প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম তৈরির প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র। এতে নেতৃত্বের আসনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। চীন এ দেশগুলোকে ক্লিনটেক শিল্পের উৎপাদন ও সরবরাহ চেইনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগ ও উৎপাদন আরো সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির।

চীনের সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ সরঞ্জাম এবং এর একচেটিয়া বাজার আধিপত্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার আপত্তি উঠেছে ইউরোপে। তবে প্রতিবেদন বলছে, চীন থেকে ব্যাটারি-সংক্রান্ত সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে ইউরোপ। অন্যদিকে বিনিয়োগের গতি বাড়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো।

লক্ষণীয় বিষয় হলো, বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ছোট প্রকল্প নিয়ে আগ্রহী নয় চীনা সংস্থাগুলো। এর বদলে তারা বড় ও ধাপে ধাপে সম্পন্ন হওয়া প্রকল্পগুলোয় বেশি বিনিয়োগ করছে।

পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি শিল্প চীনের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য দিন দিন আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে আরো বলা হয়েছে, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে গভীরতর সহযোগিতা বেইজিংয়ের কৌশলগত স্তম্ভে পরিণত হয়েছে, যা চীনের ভূরাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করছে। ইতিবাচক দিক হিসেবে বলা হচ্ছে, এতে উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত ব্যবধান কমে আসছে।

হোয়াইট হাউজে দ্বিতীয় দফায় প্রবেশের পর থেকে চীনের সঙ্গে বৈরী অর্থনৈতিক সম্পর্ক জিইয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি সে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমন হলেও চীনা পণ্যে মার্কিন শুল্ক তুলনামূলকভাবে বেশিই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের শুল্কনীতি চীনের রফতানি বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি মোকাবেলায় বাজার বৈচিত্র্যের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে দেশটির কোম্পানিগুলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *