
নেত্রকোনায় গারোদের ওয়ানগালা উৎসব
নভেম্বর ২৯, ২০২৫
কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে নারীর স্বাধীনতা প্রমাণ করব
নভেম্বর ২৯, ২০২৫সিলেট নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২৪টি ভবন অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সিলেট নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২৪টি ভবন অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। নগর ভবনে আয়োজিত ‘ভূমিকম্পের পূর্বপ্রস্তুতি ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা শেষে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহ থেকে অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ভূমিকম্পের পর বিশেষজ্ঞরা এসব ভবন ভেঙে ফেলার কথা বললেও সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সুরমা মার্কেট, সিটি সুপার মার্কেটসহ সাতটি বিপণিবিতান ১০ দিন বন্ধ রাখলেও পরবর্তী সময়ে কেবল রঙ করে পুনরায় চালু করা হয়। ছয় বছর পার হলেও তালিকাভুক্ত বহু ভবন এখনো ঝুঁকির মধ্যেই রয়ে গেছে।
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তকাজে নেতৃত্ব দেয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জজির বিন আলম জানান, তারা নিজেদের উদ্যোগে ছয় হাজার ভবন জরিপ করে ২৪টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা আরো বেশি। সিলেট নগরের প্রায় ৪৪ হাজার ভবনই সার্বিক সার্ভের আওতায় আনা জরুরি।
জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে এখনো অনেকেই বসবাস ও ব্যবসা করছেন, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই জরুরি ভিত্তিতে ভবনগুলো ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া নগরের অনেক সড়ক সংকীর্ণ হওয়ায় দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। তাই নগর ভবনে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা আরো বাড়াতে আমরা সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর চেষ্টা করছি। আমাদের অনেক যন্ত্রপাতি রয়েছে, সেগুলো প্রস্তুত রাখছি। যাতে সময়মতো হাতের কাছে পাওয়া যায়। দুর্যোগকবলিতদের উদ্ধারের জন্য আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে আরো স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করব।’


