
মোহাম্মদ এজাজ মেটামডার্ন প্রশাসকের ন্যায্য নগরের রিপোর্ট কার্ড এখনো শূন্য
নভেম্বর ১৫, ২০২৫
টিকটক-ফেসবুকে আসক্তি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে প্রবাসীদের কর্মঘণ্টায়
নভেম্বর ১৫, ২০২৫স্বৈরশাসন পতনের পর ইরাক, তিউনিসিয়া ও নেপাল—তিন দেশই রাষ্ট্রের ভিত্তি নতুন করে দাঁড় করাতে পুরনো সংবিধান বাতিল করে গণপরিষদ গঠনের পথ বেছে নিয়েছিল।
স্বৈরশাসন পতনের পর ইরাক, তিউনিসিয়া ও নেপাল—তিন দেশই রাষ্ট্রের ভিত্তি নতুন করে দাঁড় করাতে পুরনো সংবিধান বাতিল করে গণপরিষদ গঠনের পথ বেছে নিয়েছিল। ইরাকে যুদ্ধোত্তর স্থিতি অর্জনে, তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের পর গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনে এবং নেপালে রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পর নতুন রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনে এ পরিষদগুলো ছিল রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দু। ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটে বাংলাদেশে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে বহাল রাখা হয় পুরনো সংবিধান। রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে রাজনৈতিক দলগুলো। দীর্ঘ আলোচনার পর গত বৃহস্পতিবার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে সরকার। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা দেয়, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের দিনই এ বিষয়ে জনগণের মতামত নিতে আয়োজন করা হবে গণভোট। তাতে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’-সূচক হয়, তবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকাশিত গেজেটে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে পুরো রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে উল্লেখ করা হয়, পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে। তা সম্পন্ন করার পর পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে বলেও আদেশে তুলে ধরা হয়। তবে এ আদেশের আইনগত ভিত্তিসহ বেশকিছু বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। কোনো কোনো দলের মতে, একমাত্র জাতীয় সংসদই পারে এ সিদ্ধান্ত নিতে।
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এবার তো সংবিধান সংস্কারের ৪৮টি প্রস্তাবকে তারা (অন্তর্বর্তী সরকার) বলছে তফসিল হিসেবে সংবিধানে যাবে। যেখানে মূল সংবিধানে থাকবে এক কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ আর তফসিলে থাকবে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ। মূল সংবিধানে বলা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই কিন্তু তফসিলে বলা থাকবে দুইবারের বেশি থাকতে পারবে না। একটি আইনের এক অংশে এক কথা আর তার অপর অংশে বিপরীত কথা, তা তো হতে পারে না। আইনের বিচারে এটি অবাস্তব। এর ভবিষ্যৎ কী হবে সেটি আগামী সংসদই নির্ধারণ করবে। যদি আগামী সংসদ সেটি গ্রহণ না করে তাহলে এর কোনো কার্যকারিতা থাকবে না।’
এত বছর ধরে সংবিধান সংশোধন সাধারণত সংসদই করেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন করতে আরেকটি প্রতিষ্ঠান কেন লাগবে? এটি বাতিল করে যদি সম্পূর্ণ নতুন সংবিধান লিখতে হয় সেক্ষেত্রে গণপরিষদ বা বিশেষ একটি সংসদ লাগে। যার কাজই হলো সংবিধান সংশোধন করা। ১৯৭২ সালে এমনই একটি গণপরিষদ আমাদের ছিল। সেটি কোনো আইন নিয়ে আলোচনা করেনি এবং সে বছরের ডিসেম্বরেই সংবিধান পাস করেছে। এবার তো আইনের ব্যাকরণের সঙ্গে মেলে না।’
পুরনো সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান তৈরির অন্যতম উদাহরণ ইরাক। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়, তা সামাল দিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন জোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। নতুন রাষ্ট্রকাঠামো গঠনের ভিত্তি হিসেবে তারা প্রথমে নতুন সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়। সে অনুযায়ী গঠিত হয় সাংবিধানিক পরিষদ। আর এ পরিষদের কাজ ছিল আগের সব কাঠামো বাতিল করে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ভিত্তির নতুন সংবিধান দাঁড় করানো; যা যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করবে। প্রায় দুই বছরের দীর্ঘ আলোচনা ও দলীয় মতপার্থক্য সত্ত্বেও পরিষদ একটি তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য খসড়া তৈরি করতে সক্ষম হয়। ২০০৫ সালে আয়োজন করা হয় গণভোটের, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই নতুন সংবিধানের পক্ষে মত দেন। গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদন পাওয়া নতুন সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনি কাঠামো হিসেবে কার্যকর হয়। এর মাধ্যমেই শেষ হয় সাংবিধানিক পরিষদের কাজ।
বাংলাদেশেও স্বাধীনতার পরপর নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়েছিল। এক বছরের মাথায় তারা একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে। সে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই বিলুপ্ত হয় গণপরিষদ।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। এ নিয়ে কমিশনও গঠন করা হয়, যার দায়িত্ব দেয়া হয় সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিককে। তবে দায়িত্ব নেয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি কমিশনের প্রধান পদ থেকে অব্যাহতি নেন। পরে এ দায়িত্ব পান অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। একই সময় নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কারে সুপারিশ প্রণয়নে আরো পাঁচটি সংস্কার কমিশন গঠন করে সরকার। ওই কমিশনগুলো নিজ নিজ প্রতিবেদন দাখিল করলে তাতে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশগুলোর বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সংবিধান সংস্কারসহ অন্যান্য সংস্কারের সুপারিশ সংবলিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রণয়ন’ করে এবং রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো সম্মিলিতভাবে তাতে স্বাক্ষর ও তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে। সংবিধান সংস্কারে জুলাই সনদে রাখা হয়েছে মোট ৪৮ প্রস্তাব। তা বাস্তবায়নে গত বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির এমন কোনো আদেশ জারি করার সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনায় “আদেশ” ব্যবস্থার ব্যবহার ছিল। কিন্তু সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর সে ব্যবস্থা আর প্রযোজ্য নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘সংসদ অধিবেশন বসে মুলতবি হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি অর্ডিন্যান্স জারি করার ক্ষমতা পান। কিন্তু এখন যে আদেশের কথা বলা হচ্ছে, তার কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত ভিত্তিই নেই।’
সংবিধান সংস্কার পরিষদ প্রসঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করা সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সার্বভৌম সংসদ গঠিত হলে তার কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার মতো এখতিয়ার কারো নেই। তাই সংবিধান সংস্কারসহ যেকোনো সিদ্ধান্ত সংসদের ভেতরেই আলোচনার মাধ্যমে নিতে হবে। সংসদ নিজেই ঠিক করবে—তারা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের ভূমিকা পালন করবে কিনা। এটি সম্পূর্ণভাবে সংসদেরই এখতিয়ার।’
প্রকাশিত গেজেটে সংবিধান সংস্কার পরিষদের ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়, ‘গণভোটে উপস্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে প্রদত্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট (হ্যাঁ) সূচক হলে, এ আদেশ জারির অব্যবহিত পর অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে, যা সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে; ওই নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে এবং এ আদেশ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’
সংবিধান সংস্কার সম্পন্নের পরই পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে উল্লেখ করে গেজেটে বলা হয়, ‘পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে এবং তা সম্পন্ন করার পর পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।’
এ প্রসঙ্গে ড. শাহদীন মালিক বলেন, ‘সংসদ হলো সার্বভৌম প্রতিষ্ঠান। ফলে সংসদকে বলা যাবে না যে এ আইন পাস করেন, এ আইন পাস করতে পারবেন না। বিচার বিভাগকে যেমন করে বলা যাবে না যে এ বিষয়ে এ রায় দেন। সেক্ষেত্রে সংসদের সবাই মিলে যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা কিছুই সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করবে না, সেটি আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে। কিন্তু আদালত সংসদের পক্ষেই রায় দেবেন।’
গণবিক্ষোভের মাধ্যমে ২০১১ সালে তিউনিসিয়ার তৎকালীন স্বৈরশাসক বেন আলী ক্ষমতা হারান। রাজনৈতিক পরিবর্তনের কেন্দ্রীয় দাবিগুলোর একটি ছিল পুরনো শাসন কাঠামো বাতিল করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন। এ দাবির আলোকে একই বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক পরিষদ নির্বাচন। ২১৭ সদস্যের এ পরিষদের লক্ষ্য ছিল নতুন সংবিধান রচনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নির্বাচন করা। নির্বাচনে প্রথম স্থান পাওয়া এন্নাহদা পার্টি জোট সরকার গঠন করে এবং তাদের এক বছরের মধ্যে সংবিধান প্রণয়নের ম্যান্ডেট দেয়া হয়। ২০১২ সালের মধ্যে প্রাথমিক খসড়া তৈরি হলেও বিতর্কিত ধারাগুলো নিয়ে টানাপড়েন চলতে থাকে। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেক্যুলার নেতা চোকরি বেলাইদ এবং জুলাইয়ে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ব্রাহমি হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক সংকট চরমে ওঠে। গণবিক্ষোভ ও ধর্মঘটে সংবিধান প্রণয়নের কাজ স্থবির হয়ে পড়ে। এ অচলাবস্থা ভাঙতে নাগরিক সমাজের চার সংগঠন মিলে ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেট’ গঠন করেন। কোয়ার্টেটে থাকা অধিকাংশ সদস্যই ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও ইতালির বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন, অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়েছিলেন। অনেকেই পশ্চিমা গণতান্ত্রিক কাঠামো ও মানবাধিকার আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন।
কোয়ার্টেটের মধ্যস্থতায় এন্নাহদা নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ায়। দায়িত্ব নেয় টেকনোক্র্যাট অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর নতুন আলোচনার পথ খুলে যায়। ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি বিপুল সমর্থনে গৃহীত হয় নতুন সংবিধান। আন্তর্জাতিকভাবে এ শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এতটাই প্রশংসা কুড়ায় যে ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেটকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
নেপালের রাজনৈতিক রূপান্তর শুরু হয় ২০০৬ সালে গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে। রাজা জ্ঞানেন্দ্রের স্বৈরতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রয়োগের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের সফল সমাপ্তির পর রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত করা হয়। ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপরই দেশটি গণতান্ত্রিক রূপান্তরের কেন্দ্রীয় পদক্ষেপ হিসেবে গঠন করে ৬০১ সদস্যের একটি কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বা গণপরিষদ। পুরনো সংবিধান বাতিল করে সম্পূর্ণ নতুন সংবিধান প্রণয়ন ছিল তাদের প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু মাওবাদী, কংগ্রেসসহ বড় দলগুলোর পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতা বণ্টন, প্রদেশ কাঠামো ও রাষ্ট্রধর্ম প্রশ্নে মতবিরোধ পরিষদের কাজকে বারবার ব্যাহত করে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও পরিষদ খসড়া চূড়ান্ত করতে ব্যর্থ হয়। ২০১২ সালে প্রথম গণপরিষদ ভেঙে যায়। এক বছর পর ২০১৩ সালে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয় নতুন গণপরিষদ, যারা দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে ২০১৫ সালে নতুন সংবিধান অনুমোদন করে।


