রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুম‌কির কারণ হ‌তে পা‌রে
জুন ২০, ২০২৫
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত
জুন ২০, ২০২৫
রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুম‌কির কারণ হ‌তে পা‌রে
জুন ২০, ২০২৫
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত
জুন ২০, ২০২৫

ফেনীর মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধে ভাঙন, কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত

ফেনী প্রতিনিধি:

ফেনীর ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ কারণে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের উত্তর বরইয়া গ্রামের বণিকপাড়া এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত ১০টার দিকে এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বণিকপাড়ায় মুহুরী নদীর তীরে ইঞ্জিনিয়ার সহদেব বৈদ্যের বাড়ির পাশ দিয়ে বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। রাতের মধ্যেই তা বড় আকার ধারণ করে এবং পানি ঢুকে পড়ে বসতি এলাকায়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙেছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

ফুলগাজী বাজার রাতের বেলা পানিতে তলিয়ে যায়। সকাল নাগাদ পানি নামলেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে দোকানপাট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের।

বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ বরইয়া, বসন্তপুর, জগতপুর, ফতেহপুর, দরবারপুর ও ধলিয়াসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রাম। দুর্গতদের জন্য ফুলগাজী বালিকা বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। রাত একটার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেয়।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, মুহুরী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে—বর্তমানে এটি ১১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে বেড়িবাঁধের নিচে সৃষ্ট ছিদ্র বড় আকার ধারণ করায় দ্রুত ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।

রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং শুকনো খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

প্রতিবছরই মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ২-৩ বার প্লাবনের ঘটনা ঘটে। এতে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয় বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এ বিষয়ে ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ফাহাদ্দিস হোসাইন বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টি হওয়ায় নদীর পানি বাড়ছে। তবে মুহুরী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে।

Old
Old

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *