ঠিকানাবিহীন বেদে পরিবারের মাঝে বাউফল ইউএনও’র সাহায্য বিতরণ
আগস্ট ১৯, ২০১৮
শ্যামনগরে শারদীয় দূর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা
আগস্ট ১৯, ২০১৮

কোটালীপাড়ার তিন গ্রামের গরু চাষীদের মধ্যে সাজ সাজ রব

নজরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৩ গ্রামে এখন সাজ সাজ রব। বিল বেষ্টিত এসব গ্রামের প্রায় আড়াইশ’ পরিবার সম্পূর্ন প্রাকৃতিক নিয়মে গরু মোটা-তাঁজা করে কোরবানীর হাটে বিক্রি করবেন। প্রতি বছর ভারতীয় গরুতে বাজার ভরে যাওয়ায় লোকসান দিলেও এবছর শেষ মুহুর্তে ভারতীয় গরু না আসলে তারা লাভের মুখ দেখবেন এমনটি প্রত্যাশা তাদের।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সোনাখালি, তারাইল ও গোপালপুর গ্রামের অন্ততঃ আড়াইশ পরিবার। এসব পরিবারের প্রধান আয়ের পথ বেঁছে নিয়েছে গরু মোটাতাঁজা করাকে। প্রতিবছরই তারা কোরবানীর হাটে গরু বিক্রি করে লাভের টাকায় সংসার চালান। বাড়ির চারিদিকে পানি। জমিতে ফসল নেই। বেছে নিয়েছেন গরু পালন ব্যবসাকে। যুগযুগ ধরে পূর্ব পূরুষদের এ ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নতুন প্রজন্ম।

প্রাকৃতিক ঘাষ, খইল, ভূষি, ধানের খড় ইত্যাদি গরুর খাবার হিসাবে ব্যবহার করেন। প্রাকৃতিক নিয়মে দেশীয় গরু মোটা-তাঁজা করায় এখানকার গরুর চাহিদাও বেশী। এসব এলাকার গরু গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও বরিশালের বিভিন্ন কোরবানির হাটে বিক্রি হয়ে থাকে।

কোটালীপাড়ার সোনাখালী গ্রামের গরু লালন পালনকারী কয়েকজন জানান, প্রাকৃতিক ঘাস ও অন্যান্য খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাঁজা করি। আমাদের প্রধান পেশাই হলো গরু মোটাতাঁজা করা। আমরা কোরবানীর হাটে গরু বিক্রির লক্ষ্য নিয়ে এ ব্যবসা করি বলে জানালেন এ পেশার সাথে জড়িতরা।

এখানকার খামারীদের বিশেষত্ব হলো তারা গরু মোটাতাঁজা করতে কোন স্টরয়েড ব্যবহার করেন না। জেলা প্রানী সম্পদ বিভাগ থেকে গরু চাষীদেরকে প্রাকৃতিক নিয়মে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় গরু না আসলে এখানকার চাষীরা লাভবান হবেন বলে প্রানী সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন।

জেলায় ৭ হাজারের বেশী খামারী গরু চাষ করেছেন। এ অঞ্চলের গরু পালনকারীদেরকে স্বল্প সুদে ঋনের ব্যবস্থা করা হলে ব্যবসার পরিধি বেড়ে যাবে, মিটবে এ অঞ্চলের মাংসের চাহিদা।

সিটিনিউজ সেভেন ডটকম /এম.এস

Please follow and like us:
20

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: