সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে শূরা সদস্যসহ আটক ৪২
জুন ২৫, ২০১৮
অভিজিৎ হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৩ জুলাই
জুন ২৫, ২০১৮

রাজগঞ্জ ভাসমান সেতুতে নারী-পুরুষের ঈদ আনন্দের মিলন মেলা

আওলাদ হুসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: যেকোনো উৎসবের শুরুতে প্রতিটা মানুষের মনের ভিতর আন্দোলিত হয় অন্য রকম আমেজ। সেটা সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে পালন করে থাকে। ধর্ম যার যার উৎসব সবার এমনই একটা অনুভূতি কাজ করে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে।

মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীসহ সকল মানুষেরা তাদের নির্দিষ্ট সময়ে পালিত, প্রতিটি আনন্দ ঘন দিনটি কোন না কোন ভাবে পালন করে থাকে। যেতে থাকে একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। ঘুরতে যায় কোন এক নির্দিষ্ট বিনোদন এলাকায়। যার ফলশ্রুতিতে দেখা যায় মুসলমান ধর্মাবলম্বী মানুষ ঈদে বন্ধুবান্ধব বা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হয় অনেকে।

ঈদকেন্দ্রিক এ ঘোরাঘুরিকে লক্ষ্য রেখে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যায় ঈদের শুরু থেকে কয়েকদিন পর্যন্ত। ঈদের আনন্দের সাথে নতুন করে এবছর যুক্ত হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা। প্রত্যেকের আনন্দ যেনো ডাবল হয়ে দাঁড়িয়েছে এ বছর।

তেমনি ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার যুগীখালী এবি দেবহাটা ম্যানগ্রোভ ও অন্যান্য পার্কসহ খোর্দ্দো ব্রিজ এলাকায় হাজার হাজার নারী-পুরুষের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে। বিশেষ করে সেই ঐতিহ্যবাহী নদ কপোতাক্ষের উপরে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খোর্দ্দো ব্রিজ মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

পাশাপাশি যশোরের মণিরামপুর থানাধীন রাজগঞ্জ ঝাঁপা বাওড়ে ৬০ জন যুবকের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ভাসমান সেতু ও পিকনিক স্পটে দর্শনার্থীসহ স্থানীয়দের ঢল নেমেছে। দেখা যায়, শত শত নারী পুরুষ, শিশু-কিশোরী রাজগঞ্জ ঝাঁপার ভাসমান সেতুতে ভীড় জমিয়ে চলেছে। পরে সেখান থেকে ছুঠছে দর্শনীয় বিভিন্ন পার্কে। দশর্ণীয় স্পটগুলোতে মিলন মেলায় পরিনত হচ্ছে।

তবে কিছু মিলন মেলা বা পার্কে যে অসামাজিক কাজকর্ম হচ্ছে না সেটা ঠিক না। জানা যায় তার বেশ প্রভাব পড়েছে কলারোয়ার এবি পার্কে। যেটা নির্জনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অগোচরেই হচ্ছে বলে প্রথমত ধারণা করছে সচেতন ব্যক্তিরা।

অপরদিকে যশোরের মণিরামপুর থানাধীন ঝাঁপা রাজগঞ্জ এলাকার ঝাঁপা বাওড়ে নির্মিত ভাসমান সেতুতে উপছে পড়া ভিড়। সেদিক থেকে সূশীল সমাজ মনে করেন, পর্যটন নগরীতে যেভাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে একদিন বেশ বৃহত্তম পর্যটন এলাকা হিসাবে পরিচিতি লাভ করবে। সেই ভাসমান সেতুর আঁধা কিলোমিটার দক্ষিনে গুরুচরন পাটনি খেয়াঘাটে দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে আরো একটি থ্রিলেইন ভাসমান সেতু।

কতৃপক্ষ জানান, ১২ ফুট প্রস্থ ও প্রায় ১৪শ ফুট দৈর্ঘ্যে ভাসমান সেতুটির পূর্ণ কাজ সম্পর্ন্ন করতে আরো কয়েক মাস সময় লাগবে এবং দেড় কোটি টাকার উর্দ্ধে ব্যয় হবে। ভাসমান নব্য নির্মানাধীন ভাসমান সেতুটির নাম করণে কর্তৃপক্ষ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু ভাসমান সেতু। সম্পুর্ণ চলাচলের উপযুক্ত প্রথমটি জেলা প্রশাসক ভাসমান সেতু নামে পরিচিত হয়েছে স্থানীয় ও দুর দুরান্ত থেকে আশা সকল দর্শনার্থীদের কাছে।

সিটিনিউজ সেভেন ডটকম /এম.এস

Please follow and like us:
20

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: